দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা এবং করোনা মহামারি থেকে মানবজাতির মুক্তিতে পরম করুণাময় আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করে জাতীয় ঈদগাহে পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। জামাত শেষে মোনাজাতে রাষ্ট্রবিরোধী যে কোনো ষড়যন্ত্র নস্যাতের প্রার্থনা করা হয়।
আগের দুই বছর করোনা মহামারির কারণে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়নি। এবার করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় ঈদের জামাতে প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লি অংশ নেন।
মঙ্গলবার (৩ এপ্রিল) সকাল সাড়ে আটটায় বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি রুহুল আমিন ঈদের প্রধান জামাতে ইমামতি করেন। ঈদ জামাতে শিশু থেকে শুরু করে সব বয়সী মানুষ অংশ নেন। মুসল্লিদের কাতার পৌঁছে যায় এই ঈদগাহ থেকে কদম ফোয়ারা, মৎস্য ভবন ও প্রেস ক্লাব পর্যন্ত।
নামাজ শেষে কোলাকুলিতে ব্যস্ত হয়ে ওঠেন মুসল্লিরা। একে অপরের সঙ্গে মেলাতে থাকেন হাত। এর আগে থেকেই দলে দলে সেখানে ভিড় করতে থাকেন মানুষ।
প্রধান বিচারপতি, মন্ত্রী, এমপি, বিচারপতি, রাজনৈতিক ব্যক্তি ও কূটনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা জাতীয় ঈদগাহে ঈদ জামাতে অংশ নেন।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আয়োজনে জাতীয় ঈদগাহে প্রধান জামাতে লাখো মুসল্লি নামাজ আদায় করেন। পাশাপাশি নারীদের জন্য পৃথক নামাজের ব্যবস্থা ছিল।
করোনায় বিভিন্ন বিধিনিষেধে দুই বছর ঈদগাহে নামাজ আদায় বন্ধ ছিল। উন্মুক্ত স্থানে জনসমাগম না করার নির্দেশনা থাকায় এখানে জামাত আদায় হয়নি। সে বছরগুলোতে মসজিদে সময় ভাগ করে একাধিক ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এবার মহামারির সে শঙ্কা কাটিয়ে ঈদগাহ ময়দানে জামাতের সঙ্গে ঈদের নামাজ আদায় করলেন মুসল্লিরা।
