চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক পদ নিয়ে চিত্রনায়ক জায়েদ খান ও চিত্রনায়িকা নিপুণের দ্বন্দ্ব চরম আকার ধারণ করেছে। তাদের এই দ্বন্দ্ব আদালত পর্যন্ত গড়ায়। এর ফলে চিত্রনায়িকা নিপুণের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা করেন জায়েদ খান। তার এই অভিযোগের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের শুনানি পিছিয়ে আগামি ২৩ মে দিন ঠিক করেছেন আদালত।
এর আগে নিপুণের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার বিষয়ে করা আবেদন শুনানির নির্ধারিত দিন সোমবার (২৫ এপ্রিল) ধার্য ছিল। আজ প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
জায়েদ-নিপুনের চেয়ার নিয়ে কাড়াকাড়ির সূত্রপাত করেন নির্মাতা সোহানুর রহমান সোহান। কেননা তিনি ভোটে জয়ী জায়েদকে বাদ দিয়ে হেরে যাওয়া প্রার্থী নিপুনকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ঘোষণা করেন।
সম্প্রতি এক বেসরকারি টেলিভিশনে অতিথি হয়ে এসেছিলেন জায়েদ খান। সেখানে তিনি তার পেশাগত ও ব্যক্তিজীবন নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন। বিশেষ করে শিল্পী সমিতি প্রসঙ্গে নিজস্ব অভিমত তুলে ধরেছেন।
জায়েদ খান বলেন, ‘সবচেয়ে দুঃখ সোহান ভাইয়ের ওপর। পরিচালক সমিতিতে নির্বাচিত হওয়ার সময় এই লোকটাকে যথেষ্ট সহযোগিতা করেছি আমি। উনি একজন সম্মানিত লোক, তারও একটা খারাপ ভিডিও বের হয়েছিলো। সেই ভিডিওটা সরানোর জন্য উনাকে নিয়ে সাইবার ক্রাইম পর্যন্ত আমি দৌড়ঝাঁপ করেছি। সেই মানুষটাও ভুলে গেলেন। উনাকে বিশ্বাস করেই আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যান বানানো হলো। উনি পরিচালক সমিতির সভাপতি, পরিচালকরা আমাদের বাবার মতো। কিন্তু উনিই অন্যায়কে সাপোর্ট করলেন। একজন প্রার্থীকে সাতদিন পর নির্বাচিত ঘোষণা করলেন।’
বয়কট প্রসঙ্গে ‘অন্তরজ্বালা’ খ্যাত নায়কের ভাষ্য, ‘উনি বলছে জায়েদ খানকে আমরা বয়কট করলাম। সেটাও আবার উনার পরিচালক সমিতির প্যাডে। উনারই মহাসচিব বলছে, আমরা এটার সঙ্গে একমত নই। কয়েকজন মিলে এফডিসিটা সার্কাস জোনে পরিণত করেছে।’
