নিউমার্কেটে সংঘর্ষ: বিএনপি নেতা মকবুলকে রিমান্ডে নিলো পুলিশ

রাজধানীর নিউমার্কেটে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ব্যবসায়ী ও দোকান কর্মচারীদের সংঘর্ষের মামলায় গ্রেপ্তার নিউ মার্কেট থানা বিএনপি নেতা মকবুল হোসেন সরদারকে হেফাজতে নিয়ে তিনদিন জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি পেয়েছে পুলিশ।

শনিবার (২৩ এপ্রিল) তার রিমান্ড ও জামিন আবেদনের শুনানি শেষে বেলা আড়াইটার দিকে মহানগর হাকিম মো. মামুনুর এ আদেশ দেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন আইনজীবী হেমায়েতউদ্দীন হিরন। আর আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী ইকবাল হোসেন।

এর আগে দুপুর ১টার দিকে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও নিউ মার্কেট থানার পরিদর্শক (অপারেশন) হালদার অর্পিত ঠাকুর মকবুলকে আদালতে উপস্থিত করে তার বিরুদ্ধে ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।

আদালতে তার পক্ষে এ সময় রিমান্ড আবেদন বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে বিচারক নথি পর্যালোচনা করে পরে আদেশ দেবেন বলে জানান। পরে এ নিয়ে আদেশ দেয়া হয়।

মকবুল হোসেন সরদার নিউ মার্কেট থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য।

এর আগে, শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে মকবুল হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

উল্লেখ্য, গত ১৮ এপ্রিল দিনগত রাত ১২টার দিকে ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিউমার্কেটের ব্যবসায়ী ও কর্মচারীদের সংঘর্ষ হয়। প্রায় আড়াই ঘণ্টা চলে এ সংঘর্ষ। এরপর রাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসলেও ১৯ এপ্রিল সকাল ১০টার পর থেকে ফের দফায় দফায় শুরু হয় সংঘর্ষ, যা চলে সন্ধ্যা পর্যন্ত।

এ ঘটনায় উভয়পক্ষের অর্ধশতাধিক আহত হন। সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত দুজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তাদের একজন ডেলিভারিম্যান, অন্যজন দোকানকর্মচারী।

ডেলিভারিম্যান নাহিদের নিহতের ঘটনায় বাবা মো. নাদিম হোসেন বাদী হয়ে নিউমার্কেট থানায় একটি হত্যা মামলা করেছেন। মুরসালিনের ভাই বাদী হয়ে আরো একটি হত্যা মামলা করেছেন।

এদিকে, এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে দুটি মামলা করে। একটি মামলা বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে এবং অন্যটি পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে। দুই মামলাতে নিউ মার্কেটের ব্যবসায়ী, কর্মচারী ও ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীসহ মোট ১২ শ’ জনকে আসামি করা হয়েছে।

এর আগে, শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে মকবুল হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

উল্লেখ্য, গত ১৮ এপ্রিল দিনগত রাত ১২টার দিকে ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিউমার্কেটের ব্যবসায়ী ও কর্মচারীদের সংঘর্ষ হয়। প্রায় আড়াই ঘণ্টা চলে এ সংঘর্ষ। এরপর রাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসলেও ১৯ এপ্রিল সকাল ১০টার পর থেকে ফের দফায় দফায় শুরু হয় সংঘর্ষ, যা চলে সন্ধ্যা পর্যন্ত।

এ ঘটনায় উভয়পক্ষের অর্ধশতাধিক আহত হন। সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত দুজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তাদের একজন ডেলিভারিম্যান, অন্যজন দোকানকর্মচারী।

ডেলিভারিম্যান নাহিদের নিহতের ঘটনায় বাবা মো. নাদিম হোসেন বাদী হয়ে নিউমার্কেট থানায় একটি হত্যা মামলা করেছেন। মুরসালিনের ভাই বাদী হয়ে আরো একটি হত্যা মামলা করেছেন।

এদিকে, এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে দুটি মামলা করে। একটি মামলা বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে এবং অন্যটি পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে। দুই মামলাতে নিউ মার্কেটের ব্যবসায়ী, কর্মচারী ও ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীসহ মোট ১২ শ’ জনকে আসামি করা হয়েছে।

জানা যায়, সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় করা মামলার এক নম্বর আসামি মকবুল। মার্কেটে তার দুইটি দোকান রয়েছে। ওই দোকান থেকেই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয় বলে দাবি করছে পুলিশ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *