রাজধানীর নিউমার্কেটের ব্যবসায়ী ও ঢাকা কলেজের ছাত্রদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় আহত দোকান কর্মচারী মোরসালিন (২৬) মারা গেছেন।
বৃহস্পতিবার (২১ এপ্রিল) ভোর ৪টা ৩৬ মিনিটে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পুরাতন ভবনের জেনারেল আইসিইউর ২৩ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।
এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেন ঢাকা মেডিক্যাল হাসপাতালে পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর বাচ্চু মিয়া।
তিনি জানান, নিউমার্কেটের সংঘর্ষের ঘটনায় ঢাকা মেডিকেলের আইসিইউতে মুরসালিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এ ঘটনায় আরও দুজন চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তারা হলেন মো. ইয়াসিন (১৮) ও মো. কানন চৌধুরী (২০)।
জানা যায়, মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ীদের সংঘর্ষের সময় নুরজাহান মার্কেটের সামনে ইটের আঘাতে আহত হয়েছিলেন মোরসালিন। পরে শাকিল ও আরেক যুবক রিকশায় করে অচেতন মোরসালিনকে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে যান।
মোরসালিন কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার কালাইনগর গ্রামের প্রয়াত মানিক মিয়ার ছেলে। তিনি রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরের পশ্চিম রসুলপুর এলাকায় পরিবার নিয়ে থাকতেন।
তার স্ত্রীর নাম অনি আখতার মিতু। তাদের হুমাইরা ইসলাম লামহা ও আমির হামজা নামে দুই সন্তান রয়েছে।
ঘটনার দিন মোরসালিনের স্ত্রী মিতু সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, নিউমার্কেটে একটি শার্টের দোকানে মাসে নয় হাজার টাকা বেতনে চাকরি করতেন তার স্বামী। মঙ্গলবার সকালে নিউমার্কেটে কর্মস্থলের উদ্দেশে তিনি বাসা থেকে বের হয়েছিলেন। দুপুরে ইটের আঘাতে আহত হন তিনি।
এ নিয়ে এ ঘটনায় দুজনের মৃত্যু হলো। এর আগে মঙ্গলবার (১৯ এপ্রিল) রাতে নাহিদ (১৮) নামে এক ডেলিভারিম্যান ঢামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। ওই দিন কামরাঙ্গীরচরে বাসা থেকে বের হয়ে কর্মস্থলে যাচ্ছিলেন নাহিদ। এ সময় সংঘর্ষের মধ্যে পড়ে নিহত হন তিনি।
