বছর চারেক প্রেমের পর একে-অপরের গলায় মালা দেওয়ার মধ্য দিয়ে ‘মিস্টার অ্যান্ড মিসেস কাপুর’ হলেন রণবীর-আলিয়া। আলিয়া ও রণবীরের পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে মুম্বাইয়ের কাপুরদের বান্দ্রার বাড়ি ‘বাস্তু’তে হয় বিয়ের অনুষ্ঠান।
সেখানে উপস্থিত ছিলেন নীতু কাপুর, মহেশ ভাট, সোনি রাজদান, শাহিন ভাট, ঋদ্ধিমা কাপুর, কারিনা কাপুর, কারিশমা কাপুর, রণধীর কাপুর, পূজা ভাট, রাহুল ভাট, লাভ রঞ্জন, আয়ান মুখোপাধ্যায়রা।
বলিউডের ছবির নায়ক হওয়ায় বাংলাদেশেও তার ভক্তের অভাব নেই। তাদেরই একজন হলেন দীঘি। এই অভিনেত্রী আলিয়া ভাটের সঙ্গে রণবীরের বিয়ে মেনেই নিতে পারছেন না। বলা যায় আলিয়াবিদ্বেষী দীঘি।
দীঘী বলেন, ‘আলিয়ার সঙ্গে বিয়ের ছবি একদমই নিতে পারছি না। ওর (রণবীরের) অন্য কোনও এক্সের সঙ্গে ক্যাটরিনা কিংবা দীপিকার সঙ্গে বিয়ে হলে সেটা মেনে নিতাম; কিন্তু আলিয়াকে জাস্ট আমি আগে থেকেই নিতে পারি না।’
তিনি বলেন, ‘এখনও আমার ফোনের ওয়ালপেপারে রণবীরের ছবি দেওয়া। আর তাঁর জন্য আমার ফোনে আলাদা একটা ফোল্ডার আছে; সেখানে সব রণবীরের ছবি।’
দীঘির এমন আবেগী আলাপের মাঝে জানতে চাওয়া রণবীরের বিয়ের রাতে কী করলেন, ‘কষ্টে সারা রাত পেস্ট্রি খেয়েছি। আগেই কিনে নিয়ে এসেছিলাম; এই কষ্টে কোনও ডায়েট নেই।’
রণবীরের বাসভবন বাস্তু ভবনে গতকাল ভারতীয় সময় দুপুর ৩টার দিকে সাতপাকে বাঁধা পড়েন রণবীর ও আলিয়া।
বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে তাঁদের মধুচন্দ্রিমা পরিকল্পনার বিভিন্ন খবর প্রকাশ পাচ্ছে। কেউ বলছে বিয়ের পর সুইজারল্যান্ডের তুষারাবৃত আল্পস পর্বত এলাকায় মধুচন্দ্রিমা সারবেন রণবীর-আলিয়া। অপর প্রতিবেদন বলছে, এ যুগল তাঁদের প্রিয় স্থান আফ্রিকায় মধুচন্দ্রিমা উদযাপন করবেন। রণবীর-আলিয়ার মধুচন্দ্রিমা দীর্ঘ হবে না। কারণ, বেশ কয়েকটি সিনেমার শুটের শিডিউল দেওয়া আছে দুজনেরই।
