আমি বড় হয়েছি জানতাম না: দীঘি

শিশুশিল্পী হিসেবে সিনেমায় অভিনয় শুরু করেছিলেন প্রার্থনা ফারদিন দীঘি। দারুণ অভিনয়ে জয় করেছিলেন দেশবাসীর মন। পেয়েছিলেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও।

ছোট থেকে বড় হয়ে দীঘি এখন চিত্রনায়িকা। ইতিমধ্যে একাধিক ছবিও মুক্তি পেয়েছে। তবে এই পরিচয়ে নিজেকে পরিচিত করতে চান না প্রার্থনা ফারদিন দীঘি। জানালেন কেন তিনি চিত্রনায়িকা হতে চান না।

সম্প্রতি এক লাইভে অংশ নেন দীঘি। তিনি বলেন, ‘চিত্রনায়িকা হওয়াটা ইজি। আমি যখন বড় হয়ে সিনেমায় নাম লেখাই, তখনই আমার নামের পাশে চিত্রনায়িকা যোগ হয়ে গেছে। সিনেমা করছি চিত্রনায়িকা হয়ে, কিন্তু “অভিনেত্রী” সবার নামের শেষ যোগ হয় না। এটা অনেক কঠিন। জেনে কাজ করলে তখনই অভিনয়ে দক্ষ হয়। তখন কাউকে বলা যায় অভিনেত্রী। এটা অনেক সাধনার বিষয়। এ জন্য পর্দায় অভিনয় দিয়ে দর্শকের কাছ থেকে শুনতে হয়, অসাধারণ অভিনয় করেছি। আমরা অনেক চিত্রনায়িকা দেখেছি, কিন্তু সবার নামের পাশে “অভিনেত্রী”বসে না। আমি স্বপ্ন দেখি আমার নামের পাশে “অভিনেত্রী” শব্দটা একদিন বসবে। আমি দক্ষ অভিনয়ের সেই চরিত্রের চ্যালেঞ্জ নিতে চাই।’

নায়িকা হিসেবে নাম লেখানোর পর টিকটিক, প্রেমে গুজবসহ বিভিন্ন কারণে আলোচনা সমালোচনায় থাকেন দীঘি। তিনি মনে করেন, চিত্রনায়িকা হয়ে গেলে গুজব আসবেই। প্রথম দিকে মানিয়ে নিতে পারতাম না। পরে মনে হয়েছে, চিত্রনায়িকাদের গুজবই স্বাভাবিক। রিউমার মানে আমি চিত্রনায়িকা হিসেবে ওপরে উঠছি, সবাই আমাকে আরও বেশি চিনছে, আমাকে নিয়ে কথা বলছে, এখন এসব মানিয়ে নিয়েছি। রিউমার সব সময় রিউমারই থাকে। যখন সুযোগ আসে আমি তার ব্যাখ্যা করি। তবে একই বিষয় নিয়ে ধারাবাহিক রিউমার পছন্দ হয় না।’

শিশুশিল্পী হিসেবে তিনবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন দীঘি। সেই খ্যাতিকে এখনো ছাড়িয়ে যেতে পারেননি। কারণ, তাঁর অভিনীত ‘তুমি আছো তুমি নেই’সহ দুটি সিনেমাই সেভাবে ব্যবসা করতে পারেনি। এ নিয়ে চিন্তিত নন দীঘি।

তিনি বলেন, ‘আমি জানতাম না বড় হয়েছি। সিনেমায় নায়িকা হিসেবে চুক্তি করার পর দেখলাম আমার নামের পাশে চিত্রনায়িকা লেখা হচ্ছে। তখনই জানলাম ওহ, আচ্ছা আমি বড় হয়েছি। তারপর থেকে এখনো কাজ করে যাচ্ছি। সফলতা তো এক দিনে আসবে না। শিশুশিল্পী হিসেবে চলচ্চিত্রের অভিনয়ের সফলতা কিন্তু এক দিনে আসেনি।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *