বাংলাদেশের জনপ্রিয় অভিনেতাদের একজন চঞ্চল চৌধুরী। দর্শকদের উপহার দিয়েছেন অসংখ্য নাটক ও সিনেমা। আগামী ঈদে তার নতুন সিনেমা মুক্তি পেতে যাচ্ছে।
গিয়াস উদ্দিন সেলিমের নতুন সিনেমা ‘পাপ-পুণ্য’তে দেখা যাবে তাকে। এই সিনেমায় খোরশেদ চেয়ারম্যান হয়ে রূপালি পর্দায় দেখা দেবেন চঞ্চল চৌধুরী।
সম্প্রতি নতুন সিনেমা ও অন্যান্য বিষয় নিয়ে এক জাতীয় দৈনিকের সঙ্গে কথা বলেছেন চঞ্চল চৌধুরী। সাক্ষাৎকারটি তুলে ধরা হলো:
ঈদে আপনার অভিনীত নতুন সিনেমা মুক্তি পাচ্ছে…
গিয়াস উদ্দিন সেলিমের মনপুরা আমার ক্যারিয়ারে বড় ভূমিকা রেখেছে। এই পরিচালকের নতুন সিনেমা ‘পাপ-পুণ্য’তে অভিনয় করেছি এবং চাঁদপুরে শুটিং হয়েছে। ঈদুল ফিতরে সিনেমাটি মুক্তি পাচ্ছে জেনে খুব ভালো লাগছে। এই সিনেমায় খোরশেদ চেয়ারম্যানের চরিত্রে অভিনয় করেছি।
আমার প্রতিটি সিনেমায় নতুন গল্প, নতুন চরিত্র থাকে। আমি মনে করি আমার কাছের দর্শকের এক ধরণের চাওয়া তৈরি হয়েছে। আমিও শিল্পের প্রতি দায়বদ্ধ বলেই যে কোনো ধরণের সিনেমা করতে পারি না। সেদিক থেকে ‘পাপ-পুণ্য’ সম্পূর্ণ নতুন গল্পের সিনেমা। খোরশেদ চেয়ারম্যান হয়ে উঠতে কোনো রকম কম্প্রোমাইজ করিনি। আমি বিশ্বাস করি দর্শক হলমুখী হবেন এবং তারা নিরাশ হবেন না।
হাওয়া নামের আরও একটি সিনেমা মুক্তির অপেক্ষায় আছে?
চঞ্চল চৌধুরীর হাওয়া সিনেমাটিও যে কোনো সময় মুক্তি পাবে। এই সিনেমার শুটিংয়ে অনেকদিন সাগরে ছিলাম। এটিও ভিন্ন ধরনের গল্পের সিনেমা। হাওয়া পরিচালনা করেছেন মেজবাউর রহমান সুমন। হাওয়া আমার জন্য নতুন কিছু, দর্শকের জন্যও নতুন কিছু।
নতুন ওয়েব ফিল্মে অভিনয় করলেও নতুন সিনেমায় দেখা যাচ্ছে না কেন?
‘পাপ-পুণ্য’ এবং হাওয়া মুক্তি না পাওয়া পর্যন্ত নতুন সিনেমা করব না। ওয়েব ফিল্ম করব। নাটকও করব। দুটি সিনেমার মধ্যে পাপ পুণ্য মুক্তির তারিখ চূড়ান্ত হয়েছে। বেশি সিনেমা করাটা আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ নয়, আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ হলো ভালো অভিনয় করতে পারাটা।
ঈদের নাটকের শুটিং শুরু করেছেন?
ঈদের নাটকের শুটিং শুরু করেছি। সালাউদ্দিন লাভলুর পরিচালনায় হারাধনের একটি বাগান নাটকের শুটিং শেষ হয়েছে। সম্প্রতি কক্সবাজারে নিয়াজ মাহবুবের পরিচালনায় ৭ পর্বের নাটক পিকচার ম্যানের শুটিং করেছি। এই নাটকে সমুদ্রপাড়ের একজন ফটোগ্রাফারের চরিত্রে অভিনয় করেছি। সামনে আরও কিছু ঈদের নাটকের শুটিং করব।
