কলকাতায় বাংলাদেশের সোনালী ব্যাংকের শাখা থেকে ১৪ লাখ টাকা তছরুপের অভিযোগ উঠেছে। এর জন্য দায়ী করা হচ্ছে ওই শাখারই কর্মীদের। শাস্তি হিসাবে ৫ জনকে ইতোমধ্যে বরখাস্তও করা হয়েছে।
এরসঙ্গে পেনশন অ্যাকাউন্ট থেকেও নিয়ম বহির্ভূতভাবে টাকা তোলার অভিযোগ উঠেছে। এর প্রেক্ষিতে প্রয়োজনীয় নথি জমা দিতে না পারায় অভিযুক্ত কর্মীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। খবর- হিন্দুস্তান টাইমসের
জানা গেছে, ২০২০ সালে ৯ সেপ্টেম্বর বিষয়টি প্রথম সামনে আসে। কলকাতার লেনিন সরণীতে অবস্থিত সোনালী ব্যাংকের শাখা অফিস অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তুলে তা অন্য একটি ভুয়া অ্যাকাউন্টে জমা রাখা হয়। ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ অডিটে বিষয়টি ধরা পড়লে ঢাকায় ব্যাংকের প্রধান শাখায় অভিযোগ জানানো হয়। পাশাপাশি আরবিআইতে অভিযোগ জানানো হয়।
এরপরই পাঁচজনকে বরখাস্ত করা হয়। যাদের বরখাস্ত করা হয়েছে তাদের মধ্যে রয়েছেন- তিনজন জুনিয়র ম্যানেজমেন্ট গ্রেড স্কেল ওয়ান পর্যায়ের অফিসার, একজন মিডল ম্যানেজমেন্ট গ্রেড স্কেল টু ও স্পেশাল অ্যাসিস্ট্যান্ট ক্লার্ক। বরখাস্ত হওয়া পাঁচজনই ভারতীয়। তাদের বাড়ি কলকাতা, কামারহাটি, উলুবেড়িয়া এলাকায়।
এদিকে ঘটনায় অভিযুক্তরা তাদের বরখাস্ত করার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতের যাবেন জানা গেছে। এ ঘটনায় নিউ মার্কেট থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। ঘটনার বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে।
