‘ছুটির ঘণ্টা’সহ অসংখ্য দর্শকনন্দিত ছবির পরিচালক আজিজুর রহমানের মরদেহ রোববার রাত ৮টার দিকে শেষবারের মতো বিএফডিসিতে নেওয়া হয়। সেখানে অঝরে কাঁদলেন অভিনেত্রী অঞ্জনা।
জানাজায় উপস্থিত ছিলেন- ইলিয়াস কাঞ্চন, পরিচালক মতিন রহমান, দেলোয়ার জাহান ঝন্টু, মুশফিকুর রহমান গুলজার, মনতাজুর রহমান আকবর, সোহানুর রহমান সোহান, জাকির হোসেন রাজু, অভিনেত্রী অঞ্জনা, বাপ্পারাজ, বাপ্পী চৌধুরী, সাইমন, সম্রাটসহ আরও অনেকে।
কান্না জড়িত কণ্ঠে অঞ্জনা রহমান বলেন, আজিজুর রহমান না থাকলে আমি নায়িকা হতে পারতাম না। আমার ক্যারিয়ারে তার অসামান্য অবদান রয়েছে। সবাই তার জন্য দোয়া করবেন।
তার ছেলে রহমান টয় বলেন, বাবা চলচ্চিত্রে অনেক ভালোবাসতেন। তিনি অনেক আসতে চেয়েছিলেন ঢাকা। কিন্তু ডাক্তাররা অনুমতি দেয়নি। তবে শেষ অনুমতি দিয়েছে শেষ যাত্রায়। সবাই বাবার জন্য দোয়া করবেন।
সোমবার (১৪ মার্চ) কানাডায় মৃত্যু হয় ‘ছুটির ঘণ্টা’খ্যাত আজিজুর রহমানের। পরে বুধবার টরেন্টোতে তার প্রথম নামাজে জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। মত্যৃকালে তিনি স্ত্রী ও দুই সন্তান রেখে গেছেন।
অনেক সফল চলচ্চিত্রের পরিচালক আজিজুর রহমান। ১৯৫৮ সালে ‘এ দেশ তোমার আমার’ চলচ্চিত্রে এহতেশামুর রহমানের সহকারী হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করেন তিনি। এই পরিচালকের সর্বশেষ সিনেমার পরিচালকও ছিলেন তিনি।
আজিজুর রহমান পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র ময়মনসিংহের লোককথা নিয়ে ‘সাইফুল মূলক বদিউজ্জামান’। সিনেমাটি মুক্তি পায় ১৯৬৭ সালে। এ পর্যন্ত তিনি ৫৪টি চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছেন।
আজিজুর রহমান পরিচালিত উল্লেখযোগ্য সিনেমা হচ্ছে ‘ছুটির ঘণ্টা’, ‘অশিক্ষিত’, ‘মাটির ঘর’, ‘জনতা এক্সপ্রেস’, ‘সাম্পানওয়ালা’, ‘ডাক্তার বাড়ি’, ‘গরমিল’, ‘তিল’ ও ‘সমাধান’ ইত্যাদি।
