নানা সমালোচনার পর অবশেষে দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান স্বাধীনতা পুরস্কার থেকে আমির হামজার নাম বাদ দেয়া হয়েছে।
শুক্রবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পক্ষ থেকে এই পুরস্কারের সংশোধিত তালিকা প্রকাশ করা হয়। তবে কী কারণে পুরস্কার থেকে তার নাম বাদ পড়েছে তা জানানো হয়নি।
এ বছর সাহিত্যে অবদান রাখায় মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছিলেন আমির হামজা। তবে ১৫ মার্চ তার নাম ঘোষণার পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ নানা মাধ্যমে আলোচনা শুরু হয়।
প্রথম দিকে বাংলা সাহিত্যে আমির হামজার অবদান নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। এক পর্যায়ে হ ত্যা মামলায় তার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পাওয়ার খবর গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়।
সংশোধিত তালিকা অনুযায়ী ৯ ব্যক্তি ও এক প্রতিষ্ঠানকে এ পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়েছে। ফলে সাহিত্য ক্যাটাগতিতে কেউ এবার স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন না।
এর মধ্যে স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ ক্যাটাগরিতে পদক পাচ্ছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ইলিয়াস আহমেদ চৌধুরী, শহীদ কর্নেল খন্দকার নাজমুল হুদা (বীর বিক্রম), আব্দুল জলিল, সিরাজ উদ্দীন আহমেদ, মরহুম মোহাম্মদ ছহিউদ্দিন বিশ্বাস, মরহুম সিরাজুল হক।
চিকিৎসাবিদ্যায় অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া ও অধ্যাপক ডা. মো. কামরুল ইসলাম; স্থাপত্যে প্রয়াত স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন পুরস্কার পাচ্ছেন। প্রতিষ্ঠান হিসেবে এবার গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ক্যাটাগরিতে স্বাধীনতা পুরস্কার পাবে বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিডাব্লিউএমআরআই)।
এটি দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় বেসামরিক পুরস্কার। ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সরকার ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতি বছর এ পুরস্কার দিয়ে আসছে।
বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য বর্তমানে স্বাধীনতা পুরস্কার, একুশে পদক, বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার, বেগম রোকেয়া পদক, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ও জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার দিয়ে থাকে সরকার।
