মাত্র একদিনের সফরে বাংলাদেশে এসেছিলেন সানি লিওন। প্রায় ১৯ ঘণ্টা অবস্থান শেষে রোববার সকাল ৯টা ২০ মিনিটের ফ্লাইটে ঢাকা ছাড়লেন বলিউডের এ বির্তকিত তারকা। এসময় তার সঙ্গে স্বামী ড্যানিয়েলসহ আরও কয়েকজন সহকর্মী ছিলেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংগীত শিল্পী প্রতীক হাসান।
সানি লিওনেরর ঢাকায় আসার কারণ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের তাপস ভাইয়ের (গানবাংলা টিভির কর্ণধার ও সংগীতশিল্পী কৌশিক হোসেন তাপস) মেয়ে নাজিবার বিয়ের রিসেপশন পার্টিতে এসেছিলেন তিনি। আজকের ফ্লাইটেই চলে যাওয়ার কথা, অলরেডি চলে গেছেন।’
ঢাকার ১০০ ফিট এলাকার শেফ্স টেবিল কোর্টসাইড রেস্তোরাঁয় এই অনুষ্ঠান হয়েছে বলেও জানান প্রতীক হাসান। তিনি নিজেও ছিলেন সেখানে।
সানি লিওন ছাড়াও সংগীত শিল্পী তাপসের এই আমন্ত্রণে আরও এসেছিলেন ভারতের সংগীতশিল্পী কৈলাশ খের, নার্গিস ফাখরি, নুসরাত জাহান, যশ, মিমি চক্রবর্তীসহ বেশ কয়েকজন। বিয়ের অনুষ্ঠানে নাচে অংশ নেন সানি লিওন ও নার্গিস ফাখরি। পাশাপাশি বাংলাদেশের শোবিজের একাধিক জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী ও অভিনেতা-অভিনেত্রীরা ছিলেন।
এর আগে গতকাল শনিবার ঢাকায় আসনে সানি। শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে একটি ছবি পোস্ট করেছিলেন নিজের ভেরিফায়েড ইনস্টাগ্রামে। সেই ছবি ক্যাপশনে, ‘এই সুন্দর দেশে আসতে পেরে খুব খুশি!’
এদিকে সানি লিওনের প্রথমবারের মতো ঢাকায় আসার খবরে হইচই পড়ে যায় চারদিকে। বাঁধে নানা বিতর্ক। এমনকি ইসলামী ঐক্যজোটের পক্ষ থেকে নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দেয়া হয়।
মার্চ তথ্য মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে সানি লিওনের বাংলাদেশে আসার অনুমতি দেওয়া হয়। শাপলা মিডিয়ার একটি সিনেমার শুটিংয়ের জন্য তিনি ও ভারতের ১০ জন অভিনয়শিল্পীকে ওই ‘ওয়ার্ক পারমিট’ দেওয়া হয়।
তবে গত ৯ মার্চ আরেকটি প্রজ্ঞাপনে সানির ‘ওয়ার্ক পারমিট’ বাতিল করা হয় জানান তথ্য মন্ত্রী হাসান মাহমুদ। মন্ত্রণালয় যাচাই-বাছাই করে দেখে সানির আমেরিকান পাসপোর্ট দেখিয়ে আরেকজনের নাম দেওয়া হয়।
সবশেষে জানা যায়, সানি লিওন টুরিস্ট ভিসা ঢাকায় এসেছিলেন। কোনো ধরণের শুটিংয়ে অংশ নিতে আসেননি।
