ইলিয়াস কাঞ্চনের অভিযোগ নিয়ে এবার মুখ খুললেন জায়েদ খান

এক চেয়ার নিয়ে লড়াই থামছেই না চিত্রনায়ক জায়েদ খান এবং নায়িকা নিপুণের। ফলাফল নিয়ে সাধারণ সম্পাদক পদের আইনি লড়াই চলছে তো চলছেই।

এরই মধ্যে সোমবার (৭ মার্চ) সন্ধ্যায় এফডিসিতে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে নতুন ঘোষণা দেন সমিতির নবনির্বাচিত সভাপতি ইলিয়াস কাঞ্চন।

তিনি জানান, জায়েদ খান ও নিপুণের মধ্যে চলমান আইনি জলিতা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করবেন সহ সাধারণ সম্পাদক সাইমন সাদিক।

সেই সংবাদ সম্মেলনে ইলিয়াস কাঞ্চন আরও বলেন জায়েদ খানের দেখা কোর্টের রায়ের কপিটি সঠিক ছিল না। এর কারণে জায়েদ খানকে পাঠ করানো শপথ গ্রহণ অযোগ্য বলে বাতিল করে দেন।

এছাড়াও ইলিয়াস কাঞ্চন আরও অনেক অভিযোগ তুলে আনেন জায়েদ বিরুদ্ধে। সেসব অভিযোগের ভিত্তিতে এবার মুখ খুললেন জায়েদ খান। রাত ১১টার দিকে তিনি গণমাধ্যমের সঙ্গে প্রায় ২০ মিনিটের মতো কথা বলেন। সেখানে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরও দিয়েছেন তিনি।

জায়েদ খান বলেন, ‘আসলে ইলিয়াস কাঞ্চন ভাইয়ের কোথাও একটা ভুল হচ্ছে। হাইকোর্টে আমি মামলাটা জিতেছি। এটা প্রমাণও করেছি। আমার আইনজীবি নতুন মামলার সার্টিফিকেট দেখিয়েছি। কাঞ্চন ভাই পড়লেন তারপর আমাকে শপথ পাঠ করিয়েছেন। এখন প্রতারণা আসলে কই থেকে আসছে সেটা বুঝতে পারছি না। ইলিয়াস কাঞ্চন ভাই কিন্তু একবারও বলেননি আমাকে ফটোকপি দিতে। জালিয়াতি বা ভুয়া কাগজ যেটাকে বলা হচ্ছে, সেটা আসলে ঠিক কিভাবে হলো এটা বুঝতে পারছি না।

আপিলের কপি তো অনলাইনে পাবলিস্ট হয়েছে। সেই কাগজটাই আমি দিয়েছি। কিন্তু এটা নিয়ে এভাবে সংবাদ সম্মেলন করবেন ইলিয়াস কাঞ্চন ভাই আসলে আমি ভাবতেই পারিনি। ওনার সব অভিযোগই অস্বীকার করছি। কারণ কোথাও একটা ভুল হচ্ছে। এছাড়া ফটোকপি দিতে পারি নাই, সিল ঠিক ছিল না এসব অভিযোগের কোন ভিত্তি নাই। উনি অনেক সম্মানিত মানুষ।’

তিনি বলেন, ‘আমি কোনোভাবেই প্রতারণার আশ্রয় নিইনি। নিয়ম অনুযায়ী রায় পাওয়ার পরে যে কেউ তার আইনজীবীর কাছ থেকে ল ইয়ার সার্টিফিকেট নিতে পারেন। আদালতের রায় হয়ে গেছে সবাই জানেন। আমি ল ইয়ার সার্টিফিকেটও জোগাড় করেছি। এটা বৈধ। আমি যদি ভুয়া কাগজ জোগাড় করে শপথ নিই, তাহলে নিপুণ কি ভুয়া কাগজ দেখিয়ে আপিল করলেন? রায় হয়েছে বলেই তো সেটার প্রমাণ দেখিয়ে আপিল করেছেন তিনি।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *