এই আনন্দটা আমি সারাজীবন পেতে চাই: মোশাররফ করিম

শুক্রবার (৪ মার্চ) মুক্তি পেয়েছে ইফতেখার শুভ পরিচালিত ‘মুখোশ’ সিনেমা। দেশের ৩৮টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায় সিনেমাটি। এই সিনেমার প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন মোশাররফ করিম। আরও আছেন পরীমনি, আজাদ আবুল কালাম, রোশানসহ আরও অনেকে।

সিনেমাটিতে ইব্রাহিম খালিদী চরিত্রে অভিনয় করেছেন মোশাররফ করিম। মুক্তিপ্রাপ্ত নতুন ছবি ও অন্যান্য প্রসঙ্গে এক জাতীয় দৈনিকের সঙ্গে কথা বলেন তিনি-

প্রশ্ন: ‘মুখোশ’ মুক্তির আগেই প্রিমিয়ার শোতে সবার সঙ্গে আপনিও ছবিটি দেখেছেন। আপনার কেমন লেগেছে ছবিটি?

মোশাররফ করিম: আমার ভালো লাগা-না লাগা আসলে খুব গুরুত্বপূর্ণ নয়। বিষয়টি হচ্ছে, ছবিটি দর্শকের কতটা ভালো লেগেছে। তাদের কথা চিন্তা করেই এটি বানানো হয়েছে। তবে এটুকু বলতে পারি, ‘মুখোশ’ ছবির গল্পটি আলাদা বলেই আমি এতে অভিনয় করেছি। এখানে আমার ভালো করার চেষ্টা ছিল। অন্য অভিনয়শিল্পীদের মধ্যেও ভালো করার দারুণ প্রতিযোগিতা দেখতে পাবেন এতে। এটি দেখার পর আমারও মনে হয়েছে, একটা ভালো ছবি ‘মুখোশ’।

প্রশ্ন: নির্মাতার প্রথম ছবি এটি। এর আগে তার কোনো নাটকেও আপনি অভিনয় করেননি। তাহলে কী মনে করে এতে অভিনয় করেছেন?

মোশাররফ করিম: প্রথমত বলে নিই, শুধু নির্মাতার ওপর ভরসা করে অভিনয় করি না। তেমনি আমার একার ওপর ভরসা করেও কোনো কাজ করেন না নির্মাতা। মোটাদাগে বলতে পারি, কোনো সিনেমা কারও একার ওপর নির্ভর করে তৈরি হয় না। এটি একটি টিমওয়ার্ক। নির্মাতা শুভর সঙ্গে আমার আগে পরিচয় ছিল না। কাজের সুবাদে সম্পর্ক। সে এলো, গল্প দেখাল; আমার সবকিছু পছন্দ হয়েছে, তাই অভিনয় করেছি। চলচ্চিত্রে তারুণ্যের জয়জয়কার সব সময়। নির্মাতা তরুণ বয়সী, খুব মন দিয়ে কাজ করেছেন।

প্রশ্ন: সিনেমায় আপনাকে খুব বেশি দেখা যায় না। নাটকে নিয়মিত আপনি। যদি জানতে চাই, দুই মাধ্যমের কোনটিতে কাজ করে বেশি ভালো লাগে?

মোশাররফ করিম: একজন অভিনেতাকে কিন্তু নাটক কিংবা সিনেমার অভিনেতা বলে বন্দি করতে পারেন না। অভিনেতার কাছে পুরো অঙ্গনই একটা মাঠের মতো। সে পুরো মাঠে অভিনয় দিয়ে খেলবে। আমি অভিনেতা। অভিনয়টাই ভালো লাগে। মাধ্যম আমার কাছে মুখ্য ছিল না কখনোই।

প্রশ্ন: অভিনয় নিয়ে আপনার আগামী পরিকল্পনা কী?

মোশাররফ করিম: যত দিন বাঁচি, অভিনয় করতে চাই। আমি কাজ করে আনন্দ পাই। সৃষ্টির আনন্দ অনুভবে। এই আনন্দটা আমি সারাজীবন পেতে চাই। ভালো না লাগলে সেটা আমি করি না, করতেও পারি না। অতৃপ্তি নিয়ে তো কাজ করা কঠিন। মনের ওপর জোর খাটিয়ে কিছু করতে ভালো লাগে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *