এবারের চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন নিয়ে অনেক বিতর্ক, সমালোচনা হয়েছে, হচ্ছে। নির্বাচনে সভাপতি পদে মিশাকে হারিয়ে জয় পেয়েছেন কিংবদন্তি ইলিয়াস কাঞ্চন।
তবে বিপত্তি বেঁধেছে সাধারণ সম্পাদক পদ নিয়ে। এই পদে প্রাথমিকভাবে জায়েদ খান বিজয়ী হন। কিন্তু পরে নিপুণের অভিযোগের ভিত্তিতে তার প্রার্থীতা বাতিল হয় এবং নিপুণ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতে যান।
জটিলতা এখানেই শেষ হয়নি। দু’জনেই এখন আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। তাই আদালত থেকেই নির্ধারিত হবে, কে সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করবেন।
এমন পরিস্থিতিতেই সমিতির কার্যকরি সদস্য পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন কালজয়ী নায়িকা রোজিনা। বৃহস্পতিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) ই-মেইলের মাধ্যমে সমিতি বরাবর পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন তিনি। তবে সেই মেইল এখন পর্যন্ত সমিতি গ্রহণ করেনি। ফলে তিনি এখনো সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য আছেন বলে জানান রোজিনা।
অভিনেত্রী বলেন, ‘আমি একজন শিল্পী। মাঝখানে খুব বিরক্ত হয়ে গিয়েছিলাম নিজেদের মধ্যে কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি দেখে। সামান্য একটা পদ নিয়ে মামলা পর্যন্ত হলো। এটা আমার পুরো অভিনয় জীবনে দেখিনি। পাশের বাসার মানুষও আমাকে ডেকে জিজ্ঞেস করেন শিল্পী সমিতিতে এসব কী হচ্ছে! আমি লজ্জায় মরে যাই। তাই পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। পরবর্তীতে ডিপজল, আলীরাজ ভাইসহ কয়েকজন শিল্পী আমাকে বুঝিয়েছেন। তাঁরা বলেছেন আমাকে যোগ্য সম্মান দেওয়া হবে।’
এদিকে ইলিয়াস কাঞ্চন সভাপতি পদে শপথ নেওয়ার পরই জানান পরপর তিন সভায় যদি কোনো নির্বাচিত সদস্য বৈঠকে হাজির না হন তাঁর সদস্যপদ বাতিল হবে।
এই প্রসঙ্গ নিয়ে রোজিনা বলেন, ‘আমাকে জায়েদ খান বলেছে সিনিয়রদের সব বৈঠকে থাকা লাগবে না। শুধু গুরুত্বপূর্ণ কোনো সিদ্ধান্তের সময় তাঁদের মতামত নেওয়া হবে। তাও সমিতিতে না আসতে পারলে ফোনে জানালেও চলবে। আমার মনে হয়েছে, তাহলে সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে থাকতে সমস্যা নেই। আমি নতুন করে সিদ্ধান্ত নিয়েছি মেইল উইথ ড্র করব।’
