প্রদীপ-লিয়াকতের মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের নথি হাইকোর্টে

ঢাকা- সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খানকে হত্যার দায়ে টেকনাফ থানার সাবেক ওসি (বরখাস্ত) প্রদীপ কুমার দাশ ও বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের সাবেক পরিদর্শক লিয়াকত আলীকে বিচারিক আদালতের দেয়া মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের (ডেথ রেফারেন্স) নথি আজ হাইকোর্টে এসেছে।

মঙ্গলবার ডেথ রেফারেন্সটি হাইকোর্টের ডেসপাস শাখায় এসে পৌঁছাছে বলে জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের বিশেষ কর্মকর্তা সাইফুর রহমান।

এখন নিয়ম অনুযায়ী মামলার পেপারবুক তৈরি হবে। পেপারবুক তৈরি হলে প্রধান বিচারপতি বেঞ্চ নির্ধারণ করে দিলেই সেখানে মামলাটির শুনানি হবে।

গত ৩১ জানুয়ারি আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন কক্সবাজারের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ ইসমাঈল।

রায়ে দুইজনকে মৃত্যুদণ্ড ও ছয়জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। এ ছাড়া সাতজনকে খালাস দেয়া হয়েছে।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুইজন হলেন- টেকনাফ থানার বরখাস্ত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ ও বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের বরখাস্ত ইনচার্জ পরিদর্শক লিয়াকত আলী।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- টেকনাফ থানার এসআই নন্দ দুলাল রক্ষিত, এএসআই সাগর দেব ও কনস্টেবল রুবেল শর্মা, বাহারছড়ার মারিশবুনিয়া গ্রামের মো. নুরুল আমিন, মোহাম্মদ আয়াজ ও মো. নিজাম উদ্দিন।

খালাস পাওয়া সাতজন হলেন- টেকনাফ থানার কনস্টেবল সাফানুর করিম, কামাল হোসেন, আব্দুল্লাহ আল-মামুন, মোহাম্মদ মোস্তফা, এপিবিএনের সদস্য এসআই মোহাম্মদ শাহজাহান, কনস্টেবল মোহাম্মদ রাজীব ও মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ।

২০২০ সালের ৩১ জুলাই রাতে টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান।

গত শনিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কক্সবাজার কারাগার থেকে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত প্রদীপ কুমার দাশ ও মো. লিয়াকত আলীকে বিশেষ ব্যবস্থায় চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে আসা হয়েছিল। বর্তমানে তাদের চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের কনডেমড সেলে রাখা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *