শুক্রবার দিনভর ভোট গ্রহণ শেষে ইলিয়াস কাঞ্চন ও জায়েদ খানের নেতৃত্বে নির্বাচিত নতুন কমিটির নাম ঘোষণা করেছে শিল্পী সমিতির নির্বাচন কমিশনার পীরজাদা শহিদুল হারুন।
সাধারণ সম্পদক পদে নিপুণের ১৩ ভোট বেশি পেয়ে টানা তৃতীয় বারের মতো নির্বাচিত হলেন জায়েদ খান; জায়েদ খান পেয়েছেন ১৭৬ ভোট; নিপুণ পেয়েছেন ১৬৩ ভোট।
জয়ী হওয়ার পর এফডিসিতে সাংবাদিকদের জায়েদ খান জানান, সবাই একসঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে চান তারা।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাকে নিয়ে নানা অপপ্রচার নিয়ে বারবার দৃষ্টি আকর্ষণ করে শিল্পী সমিতির এ নেতা বলেন, আমার সাথে যা হয়েছে সেগুলো অন্যায় হয়েছে। আমিও মানুষ। ভুল-ত্রুটি হলে গঠনমূলক সমালোচনা করে শুধরে দেবেন। কিন্তু এভাবে ব্যক্তি আক্রমণ অন্যায়। সেটি থেকে সবাইকে বিরত থাকার অনুরোধ করছি।
নিজের বিজয়ী হওয়া প্রসঙ্গে জায়েদ বলেন, ‘এবারের নির্বাচনে আমার জয় পেতে অনেক কষ্ট হয়েছে। শিল্পীরা যাদের ভালো মনে করছেন তাদেরকেই ভোট দিয়েছেন। আমি নির্বাচিত হয়েছি সবার দোয়ায় এবং শিল্পীদের ভালোবাসায়। যাদের ভোটে আমি নির্বাচিত, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা।’
নির্বাচনে মিশা সওদাগরের হেরে যাওয়া প্রসঙ্গে জায়েদ বলেন, ‘তার সঙ্গে চার বছরের পথচলা, মনে খারাপ হয়ে গিয়েছে। তাকে ছাড়া অনেক খারাপ লাগবে। কাজের ক্ষেত্রে অনেক মিস করবো। ’
এদিকে নতুন সভাপতি ইলিয়াস কাঞ্চনকে নিয়ে তিনি বলেন, ‘কাঞ্চন ভাই অনেক গুণী মানুষ, আমাদেরই তো ভাই। উনি দুই মেয়াদে শিল্পী সমিতির উপদেষ্টা হিসেবে আমাদের সঙ্গে ছিলেন। আসা করছি কাজের মূল্যায়নটা ভালো হবে। আমরা একসঙ্গেই কাজ করবো। তার সঙ্গে কাজের প্রক্রিয়া নতুনভাবে সাজাতে হবে। মিশা ভাইয়ের সঙ্গে কাজ করে একটা বোঝাপড়া তৈরি হয়েছিল। আশা করছি তার সঙ্গেও কাজে করে একটা জায়গা তৈরি হবে। সবাই মিলেমিশেই কাজ করবো। ’
এর আগে শুক্রবার (২৮ জানুয়ারি) এফডিসিতে শিল্পী সমিতির ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ইলিয়াস কাঞ্চন ভোট পেয়েছেন ১৯১, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মিশা সওদাগর পেয়েছেন ১৪৮ ভোট।
