বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির এবারের নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে ইলিয়াস কাঞ্চন-নিপুণ প্যানেল ও মিশা সওদাগর-জায়েদ খান প্যানেল। নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে শুক্রবার (২৮ জানুয়ারি)।
এবারের নির্বাচনে বড় ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে শিল্পী সমিতি ভোটাধিকার হারানো ১৮৪ জন শিল্পী। সমিতির বিগত মিশা-জায়েদ কমিটি এই ১৮৪ জনের ভোটাধিকার কেড়ে নেয়। তবে মিশা-জায়েদের দাবি, তাদের একক সিদ্ধান্তে ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হয়নি। সমিতির ২১ জন কেবিনেট মেম্বার ও উপদেষ্টা কমিটির সর্বসম্মতিতেই বাদ দেওয়া হয়েছে তাদের।
এমন পরিস্থিতিতে মিশা সওদাগর ও জায়েদ খানকে চ্যালেঞ্জ করে কিংবদন্তী চিত্রনায়ক আলমগীর বলেছেন, ১৮৪ জন ভোটার বাতিলের রেজ্যুলিউশনটা আমাকে দেখাও। সেখানে আমার স্বাক্ষর আছে, আমি জড়িত আছি এটা প্রমাণ করতে পারলে আমি কথা দিলাম তোমাদের প্যানেলকে ভোট দেবো। আর যদি প্রমাণ না দিতে পারো তবে আমি তোমাদের নামে আইনি ব্যবস্থা নেবো৷ ফারুক ভাই, সোহেল রানা ভাই, উজ্জ্বল ভাই যদি আমার সঙ্গে নাও আসেন, আমি একাই তোমাদের নামে ফৌজদারি মামলা করবো।
মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) মগবাজার কনভেনশন সেন্টারে ইলিয়াস কাঞ্চন-নিপুণ প্যানেলের পরিচিতি পর্বের অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে এই মন্তব্য করেন চিত্রনায়ক আলমগীর।
মিশা-জায়েদকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘মিথ্যার বেসাতি বন্ধ করো। আল্লাহকে ভয় করো৷ নতুবা আল্লাহই টেনে নামাবে। আমরা যারা আছি, ইন্ডাস্ট্রির গাছের মতো৷ আমাদের মেরে ফেলে আগায় পানি দিও না। পাতাগুলো ঝরে যাবে। অলরেডি যাচ্ছে। সতর্ক হও৷ আমাদের কাছে আসলে ভালো পরামর্শের জন্য আসো৷ আমরা যারা আছি মোস্ট সিনিয়র, সবাই চাই চলচ্চিত্রের অবস্থা ভালো হোক।’
আলমগীর তার অনুজ ইলিয়াস কাঞ্চনকে নিয়ে বলেন, ‘আজ এখানে ইলিয়াস কাঞ্চন আছে। সভাপতি পদে নির্বাচন করছে। ও এমন একজন মানুষ যার আসলে প্রশংসার শেষ নেই। ওর সাথে কথা বললে মনে হয় বড় ভাইয়ের সাথে কথা বলছি। প্রায়ই ভাবি, ও আমার বড় ভাই হলো কবে। ওর কথা শুনলে মুগ্ধ হই। আমি কাঞ্চন ও তার প্যানেলের জন্য শুভেচ্ছা জানাই।’
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কাঞ্চন-নিপুণ প্যানেলের প্রার্থী রিয়াজ, ফেরদৌস, সাইমন, নিরব, ইমন, সীমান্ত, সাংকো পাঞ্জা, আরমান, গাঙ্গুয়া, নানাশাহ, জেসমিন, কেয়া, শাহনূর ও অন্যরা।
