বিনোদন ডেস্ক- চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২২-২৪ মেয়াদের দ্বিবার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৮ জানুয়ারি। বরাবরের মতো এবারের নির্বাচরেনও দুইটি প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। এবারের নির্বাচনে ইলিয়াস কঞ্চন-নিপুন প্যানেলের সঙ্গে লড়বে মিশা সওদাগর-জায়েদ প্যানেল।
মিশা-জায়েদ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ২০২০-২১ মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেছেন। শুক্রবার (০৮ জানুয়ারি) তারা বিএফডিসিতে ক্ষমতা হস্তান্তর করেছেন।
শিল্পী সমিতির নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে থেকে নির্বাচনী হাওয়া বয়ে যাচ্ছিল এফডিসি পাড়ায়। সন্ধ্যা হলেই দেখা যাচ্ছে অনেক শিল্পীদের আনাগোনা। শোনা যাচ্ছিল চিত্রনায়িকা নিপুণ ও শাকিব খান একসঙ্গে এবারের নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। তবে শাকিব খান এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি। উল্টো তিনি নির্বাচনে অংশ নেবেন না বলে জানান আগেই।
ঢাকাই সিনেমার এই নায়ক বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি পদে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে তিনি আর নির্বাচনে অংশ নেননি। তবে প্রতিবারই তিনি চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ভোট দিতে আসতেন। তবে এবার তিনি দেশের বাইরে থাকায় ভোট প্রয়োগ করতে পারছেন না।আরও চলতি মাসে যক্তরাষ্ট্র থেকে শাকিব ফিরতে পারবেন না বলে জানা গেছে।এর আগে শাকিব খান ২০১১ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত টানা তিনবার সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।
অন্যদিকে চিত্রনায়িকা একা ও পরীমণিও এবারের শিল্পী সমিতির নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেনা। কারণ গত ৩১ জুলাই রামপুরার বাসা থেকে আটকের পর গৃহকর্মী নির্যাতন ও মাদক আইনে পৃথক মামলা দিয়ে গ্রেপ্তার দেখিয়ে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয় চিত্রনায়িকা একা কে। বর্তমানে তিনি জামিনে রয়েছেন বলে জানা গেছে। আর গত ৪ আগস্ট, বুধবার রাজধানীর বনানীতে অবস্থিত বাসা থেকে পরীমনিকে আটকের পর তার বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বর্তমানে তিনিও জামিনে রয়েছে।
তাদের দু’জনের বিতর্কে জড়িয়ে পড়ায় বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির দুই সদস্য চিত্রনায়িকা একা ও পরীমনির সদস্যপদ সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে গত বছরের আগস্ট মাসে।এখন পর্যন্ত তাদের দুজনের মামলা নিষ্পত্তি না হওয়ায় শিল্পী সমিতির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী কোনো সদস্য পদ স্থগিত হলে তারা ভোট দিতে পারবেনা।
জানা গেছে, শিল্পী সমিতির নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করবেন পীরজাদা হারুন। দুজন সদস্য হলেন বিএইচ নিশান ও বজলুর রাশীদ চৌধুরী।
আপীল বোর্ডের চেয়ারম্যান করা হয়েছে সোহানুর রহমান সোহানকে। মোহাম্মদ হোসেন জেমী ও মোহাম্মদ হোসেনকে আপীল বোর্ডের সদস্য করা হয়েছে।
