নারায়ণগঞ্জ- নারায়ণগঞ্জের ধলেশ্বরী নদীতে লঞ্চের ধাক্কায় ট্রলারডুবির ঘটনার পাঁচদিনের মাথায় চারটি মরদেহ উদ্ধার করেছে নৌ পুলিশ। এ ঘটনায় এখনও নিখোঁজ আছেন ৬ জন।
নদীর ধর্মগঞ্জ এলাকা থেকে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে দুটি মরদেহ উদ্ধার করা হয় বলে নিশ্চিত করেছেন নৌ পুলিশের পরিদর্শক মো. মোর্শেদ। কিছু পরেই পাওয়া যায় আরও দুটি।
তিনি বলেন, ‘যেখানে ট্রলার ডুবেছে, সেখান থেকে কিছুটা দূরে দুইটি মরদেহ ভেসে উঠতে দেখে আমাদের খবর দেয় স্থানীয় লোকজন। আমরা গিয়ে উদ্ধার করি। একই পরিবারের যে চারজন নিখোঁজ ছিলেন, এর মধ্যে জেসমিন ও তার মেয়ে তাসনিমের মরদেহ ওই দুটি।’
সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত ফেরদৌস জানান, প্রায় একই সময়ে বক্তাবলী এলাকায় আরও দুটি মরদেহ ভেসে উঠেছে।এর মধ্যে একটি কলেজছাত্র সাব্বির হোসেনের ও আরেকটি পোশাকশ্রমিক জোসনা বেগমের।
ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের নারায়ণগঞ্জ অফিসের উপ-সহকারী পরিচালক আবদুল্লাহ আল আরেফিন বলেন, বক্তাবলী ফেরিঘাট এলাকার নদীর কিনার থেকে মা ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আরও দুজনের মরদেহ ভেসে উঠেছে। একই সঙ্গে নিখোঁজ বাকিদের সন্ধানে আমাদের ফায়ার সার্ভিস সর্বাত্মক চেষ্টা চালাচ্ছে। পাশাপাশি কোস্টগার্ড, নৌপুলিশও চেষ্টা চালাচ্ছে।
৫ জানুয়ারি সকালে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লার ধলেশ্বরী নদীতে লঞ্চের ধাক্কায় ট্রলারডুবির ঘটনা ঘটে। এতে ১০ জন নিখোঁজ হন।
এ ঘটনায় ৬ জানুয়ারি বিআইডব্লিউটিএ নারায়ণগঞ্জ নদী বন্দরের নৌ নিরাপত্তা বিভাগের উপ- পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) বাবু লাল বৈদ্য বাদী হয়ে ফতুল্লা মডেল থানায় মামলা করেছেন।
মামলায় গ্রেফতার মেসার্স ফারহান নেভিগেশনের এমভি ফারহান-৬ নামক লঞ্চের মাস্টার কামরুল হাসান (৪০), ইনচার্জ চালক মো. জসিম উদ্দিন ভূঁইয়া (৪০) ও সুকানি মো. জসিম মোল্লাকে (৩০) আসামি করা হয়েছে। তারা এখন কারাগারে রয়েছেন।
