Home বিনোদন যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী হওয়ার খবর নিয়ে মুখ খুললেন শাকিব খান

যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী হওয়ার খবর নিয়ে মুখ খুললেন শাকিব খান

0
303

বিনোদন ডেস্ক- দেশের চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় তারকা শাকিব খান ‘দেশ ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী হচ্ছেন’ বলে খবর রটেছে। তবে এই খবরটিকে পুরোপুরি ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছেন ঢাকাই সিনেমার সুপারস্টার।

 

যুক্তরাষ্ট্র থেকে সোমবার (২০ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ সময় দুপুরে সংবাদমাধ্যমকে শাকিব খান বলেন, ‘যারা আমার যুক্তরাষ্ট্রে থাকা নিয়ে নানান কথা বলছেন, তারা আসলে এই প্রক্রিয়া না জেনেই কথা বলছেন।’

 

প্রথমবারের মতো ভিসা পেয়ে গত ১২ নভেম্বর স্বপ্নের দেশে পাড়ি দিয়েছেন শাকিব খান। শুরুতে ১০ দিনের কথা বললেও এখনও দেশে ফেরেননি তিনি। এরপরই নানান গুঞ্জন ওঠে তাকে নিয়ে।

 

শাকিব খান এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমার এখানে স্থায়ী বসবাসের কথা উঠছে কেন? আমি তো চাইলে আগামী মাসেই দেশে ফিরতে পারি। দেশান্তরী হওয়ার মতো কিছু তো ঘটে নাই। আমি এখানে কাজের মধ্যে আছি। যারা বড় আয়োজনে সিনেমা বানায় তারা বোঝে প্রি-প্রোডাকশনে কত মাস লাগে! আমেরিকার মতো দেশে আমি প্রথম সিনেমা করতে যাচ্ছি, সবকিছু গোছাতে গোছাতে তো আমার দিনরাত পার হয়ে যাচ্ছে।’

 

তিনি আরো বলেন, ‘আমেরিকার গ্রিন কার্ড দেশটির সরকার সম্মান জানিয়ে বিভিন্ন দেশের সেলিব্রেটিদের দিয়ে থাকে। এই সম্মানটা সবাইকে দেওয়া হয় না। যাদের দেয় তারা সম্মানিত হয়ে গ্রহণ করেন। আর কোভিডের আগে দেশে থাকতে অন্য প্রক্রিয়ায় আমার গ্রিন কার্ড ঠিক হয়ে ছিল। তার মানে তো এই না যে আমি আমার দেশ ছেড়ে দিচ্ছি। এখানে এসে শুধু গ্রহণের প্রক্রিয়া ছিল। এজন্য তো বছরের পর বছর থাকতে হয় না।

 

শাকিব খান বলেন, বাংলাদেশের অনেক টপ মোস্ট সেলিব্রেটি আগে থেকে গ্রিন কার্ড পেয়েছেন। তারা বাংলাদেশে বাস করে নিয়মিত কাজ করছেন। বলিউডের বহু সেলিব্রেটিদের গ্রিন কার্ড রয়েছে। এ ছাড়া দুবাই, কানাডা, অস্ট্রেলিয়াতে তাদের বাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সবই আছে। কিন্তু তারা ইন্ডিয়াতে বসবাস করে নিয়মিত কাজ করছেন। তাহলে আমার এটা নিয়ে কথা উঠছে কেন? কিছু মানুষ সবসময় অপব্যাখ্যা দিয়ে থাকে, বিভ্রান্ত হওয়ার কিছু নেই।’

 

তিনি বলেন, আমাকে নিয়ে যারা কথা বলছেন, চলচ্চিত্রে তাদের অবস্থান কী? আমি কি কারও সিনেমা রিলিজ আটকে দিয়েছি, নাকি সিনেমা করতে দিচ্ছি না। যারা কাজ করতে পারে না, তারাই বেশি কথা বলে। আমি আগেও তাদের কথা আমলে নিইনি। এখনও নিচ্ছি না। নিন্দুকের কাজই নিন্দা করা। নতুন বছরটা আমার জন্য চ্যালেঞ্জিং। সিনেমায় দর্শকদের নতুনত্ব দেওয়ার জন্য কাজ করে যাচ্ছি।

 

হঠাৎ যুক্তরাষ্ট্রে সিনেমা তৈরির পরিকল্পনা কেন? জানতে চাইলে ঢাকাই সিনেমার সুপারস্টার বলেন, বাংলাদেশের সিনেমা বিশ্বে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্যই এই উদ্যোগ নিয়েছি। বিশ্ববাজারে সিনেমার ব্যবসা করতে হলে বিদেশ ঘুরতে হবে। এখানে আসার পর যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, ইউরোপ ও মধ্যেপ্রাচ্যর সিনেমা ডিস্ট্রিবিউটরদের সঙ্গে কথা হয়েছে। কাজ করার সাহসও পেয়েছি। বলিউডের সিনেমা দেশের চেয়ে বিদেশের আয় বেশি। চীনে আমির খানের ‘দঙ্গল’ সিনেমাটি হাজার কোটি টাকা আয় করেছে। শুরু করলাম। ধীরে ধীরে আমাদের সিনেমা বিভিন্ন ভাষায় হাজার স্ক্রিনে মুক্তি পাবে। আমি সেই স্বপ্নই দেখছি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here