খেলাধুলা একদমই পছন্দ করি না: তাসনুভা তিশা

ছোট পর্দার দর্শকপ্রিয় অভিনেত্রী তাসনুভা তিশা। টিভি নাটকে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে পথচলা শুরু। এরপর কাজ করেন বিজ্ঞাপনচিত্র, মিউজিক ভিডিওতে। অল্প সময়ের মধ্যেই নির্মাতাদের পছন্দের তালিকায় জায়গা করেন নেন তিনি।

অভিনয় করেছেন চলচ্চিত্রেও। তার ক্যারিয়ারে সবচেয়ে আলোচিত কাজ ‘আগস্ট ১৪’। এতে ‘ডার্ক’ চরিত্রে অভিনয় করে সবার নজর কাড়েন তিনি।

বর্তমানে এনটিভিতে প্রচার হচ্ছে তার অভিনীত নাটক ‘ফ্রেন্ড বুক’। এ ছাড়া ওয়েবমাধ্যমের কাজেও ব্যস্ত তিনি। নাটক ও অন্যান্য প্রসঙ্গে সম্প্রতি এক জাতীয় দৈনিকের সঙ্গে কথা হয় তার।

প্রশ্ন: আপনার অভিনীত ‘ফ্রেন্ড বুক’ নামে একটি নাটক প্রচার শুরু হয়েছে। নাটকের গল্প কী নিয়ে?

তাসনুভা তিশা: তিন বন্ধুর নিজ অবস্থান থেকে প্রতিবাদ, প্রতিরোধ আর এগিয়ে যাওয়ার গল্প নিয়েই নাটকটি। কঠিন একটা চাপ সামলে নিয়েছে নাজিবা তার ব্যাডমিন্টন কোর্টে। ব্যাডমিন্টন নিয়ে তার অনেক স্বপ্ন। দক্ষ হাতে কর্ক সামলে নিতে পারলেও মা-বাবার ভেঙে যাওয়া সংসারের চাপ সামলাতে হিমশিম খেতে হয় মেয়েটিকে। একপর্যায়ে কোচ শাকেরের কুনজর পড়ে। শুরু হয় নানা ঝামেলা। এভাবেই এগিয়ে যায় গল্প। এখানে আমি অভিনয় করেছি একজন ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড়ের চরিত্রে।

প্রশ্ন: বাস্তবে কি আপনি খেলাধুলা পছন্দ করেন?

তাসনুভা তিশা: পর্দায় আমাকে ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড়ের চরিত্রে অভিনয়ে দেখা গেলেও খেলাধুলা একদমই পছন্দ করি না। তারপরও নাটকের চরিত্রটি ফুটিয়ে তুলতে চেষ্টা করছি। যখন নিজের চরিত্রের বাইরে গিয়ে স্ক্রিপ্টের চরিত্র ধারণ করি, তখন কাজটি চ্যালেঞ্জিং লাগে।

প্রশ্ন: ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পেয়েছে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘বকুল ফুল’। কেমন সাড়া পাচ্ছেন?

তাসনুভা তিশা: বেশ ভালো। দর্শক পর্দায় জীবনের গল্প দেখতে পছন্দ করেন। এই গল্পের মধ্য দিয়ে আনন্দ, কষ্ট, প্রেম, ভালোবাসা সবকিছুর ছোঁয়া পাওয়া যায়। যে জন্য এটি দর্শক গ্রহণ করেছেন। দর্শক ভালো কাজ বোঝেন। তারা ভালো-মন্দের বিচার করতে পারেন। যা আবারও প্রমাণ হয়েছে। চলচ্চিত্রে যে যার জায়গা থেকে চরিত্র ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করেছি। অভিনেতা মোশাররফ করিম একেবারে অন্যরূপে হাজির হয়েছেন। টিমওয়ার্কও ভালো ছিল।

প্রশ্ন: অভিনয়ের পাশাপাশি মডেলিং কেমন উপভোগ করছেন?

তাসনুভা তিশা: আমার বিজ্ঞাপনের সংখ্যা কিন্তু খুব বেশি নয়। এরপরও আমি ভাগ্যবান। যে কয়টি কাজ করেছি, তা দর্শকের ভালো লেগেছে। মডেল হিসেবে প্রশংসা পেয়েছি অনেকের। এটা ঠিক, কাজের বিষয়ে আমি ভীষণ খুঁতখুঁতে। ভালো কিছুর জন্য অনেক বাছবিচার করি। যখন দর্শক কাজের প্রশংসা করেন, তখন বুঝি মানের বিষয়ে ছাড় দিইনি বলে এই প্রশংসা পাচ্ছি। ভালো কাজের জন্য কোনো আপস নয়- এই নীতিই মেনে চলি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *