গত কয়েক মাসে পরীমণির জীবনে ঘটেছে ছন্দপতন। যার সঙ্গে অভিনয়ের তেমন একটা যোগ নেই বললেই চলে। তাকে পরিচিত হতে হয়েছে কোর্ট-কাচারি, বিচারক, আইনজীবী, হাজিরা, মামলা, রিমান্ড, বাদী-বিবাদী এই শব্দগুলোর সঙ্গে।
কখনও থানায় গিয়ে মামলার আকুতি, কখনও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কর্তৃক আটক, পরে গ্রেপ্তার, কখনও রিমান্ড, আবার কখনও আদালতে হাজিরা দিতে হয়েছে। কিন্তু নিন্দুকের কথায় কান না দিয়ে রুপালি জগতের ঝলমলে আলোয় নিজেকে আলোকিত করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন লাস্যময়ী এই চিত্রনায়িকা।
ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পেয়েছে পরীমণির দুই ছবি ‘বিশ্বসুন্দরী’ ও ‘স্ফুলিঙ্গ’। সম্প্রতি সিনেমাসহ ব্যক্তিগত বিষয়ে এক জাতীয় দৈনিকের সঙ্গে কথা বলেছেন ঢাকাই ছবির এই নায়িকা।
প্রেক্ষাগৃহ থেকে এবার ওটিটিতেও আপনার সিনেমা। কেমন লাগছে?
পরীমণি: ‘বিশ্বসুন্দরী’ ও ‘স্ফুলিঙ্গ’ অ্যাপসে মুক্তি পেয়েছে। শিল্পী হিসেবে চাইব আমার কাজ সব শ্রেণির দর্শকের কাছে পৌঁছাক। সিনেমা হিট, ব্যবসাসফল কিংবা দর্শকপ্রিয়তা এক জিনিস। কিন্তু আমার কাছে শিল্পী হিসেবে অঙ্ক হলো—যে মাধ্যম দিয়েই হোক, প্রতিটি দর্শক যেন সিনেমাটি দেখার সুযোগ পান। ভালো কাজ থেকে যেন তাঁরা বঞ্চিত না হন। ‘বিশ্বসুন্দরী’ মায়েদের গল্প। কিন্তু সংসার সামলানো বা অন্য নানা কারণে সিনেমা হলে গিয়ে অনেক মা-ই ছবিটি দেখার সুযোগ পাননি। এখন অ্যাপসে মুক্তি পাওয়ার কারণে মায়েরা ঘরে বসেই ছবিটি দেখার সুযোগ পাবেন।
‘গুনিন’ সিনেমার কাজ শেষ করলেন। কেমন হলো?
পরীমণি: ‘স্বপ্নজাল’–এর মতো আমার আরেকটি স্বপ্নের কাজ। কাজটি করে কেমন লেগেছে, এখনই বলব না, শুধু এটুকুই বলি, সম্প্রতি বাস্তব জীবনে পরীমনির নতুন জন্ম হয়েছে। ‘গুনিন’ করার মধ্য দিয়ে সিনেমার পর্দায়ও দর্শকের চোখে আবার নতুন জন্ম হবে পরীর।
ছবির নায়ক শরীফুল রাজের সঙ্গে প্রথম কাজ। অভিজ্ঞতা কেমন?
পরীমণি: প্রথম বা শেষ বলে কিছু নেই। দুজন একসঙ্গে কাজ করেছি এবং ভালো কাজ করেছি। বলতে পারেন পর্দায় দুজনের রসায়ন জমে গেছে। এটাই বড় কথা।
কিন্তু ঢালিউডে রটেছে, বাস্তবেও আপনাদের দুজনের রসায়ন বেশ জমেছে।
পরীমণি: শিল্পীর বাইরে আমি একজন প্রেমিকাও। আমি প্রকৃতির প্রেমে পড়ি, লেখার প্রেমে পড়ি, কাজের প্রেমে পড়ি, সিনেমার প্রেমে পড়ি। আমি তো প্রেম ছাড়া বাঁচতেই পারি না। প্রেম আমার অক্সিজেন। তবে বাস্তবে রাজের সঙ্গে রসায়ন জমে ওঠার ব্যাপারে নো কমেন্টস। এতটুকুই বলি, ‘গুনিন’-এ আমি রাবেয়া, রাজ হলো রমিজ।
