বর্তমান সময়ের টিভি নাটকের জনপ্রিয় মুখ এফএস নাঈম ও নাদিয়া আহমেদ। এই তারকার দম্পতি দু’জনের সকাল টা শুরু হয় ছোটাছুটির মধ্যে দিয়ে। ঘড়ি ধরে পৌঁছাতে হবে শুটিং স্পটে। তারপর দিনভর কাজ।
নানা চরিত্রে রূপদানের জন্য ক্যামেরার সামনে দাঁড়ানো। একের পর এক সিক্যুয়েন্সে অভিনয় করে যাওয়া। তারপর শুটিং শেষে রাত করে বাড়ি ফেরা। তাই একান্ত কাছের মানুষটির জন্য হাতে সময় রাখা কঠিন।
দুজনেরই শুটিং শেষ করে বাসায় ফিরতে দেরি হয়ে যায়। নাঈম-নাদিয়ার বেশির ভাগ কথা তাই সকালের খাবারের টেবিলেই হয়। তবে নিয়মিতই মুঠোফোনে কথা হয়। রাতেও সময় থাকলে আড্ডা দেন। ব্যস্ততা নিয়ে মান–অভিমান নেই।
গতকাল ছিল অভিনেতা এফএস নাঈমের জন্মদিন। দিনটি বিশেষভাবে কাটাতে তাঁরা একসঙ্গে লাঞ্চ করতে বেরিয়েছেন। এই অভিনেতার কাছে প্রশ্ন, স্ত্রীর চোখে আপনার বড় দোষ এবং গুণ কী।
এই প্রশ্নের জবাব দিলেন না এই অভিনেতা। হেসে ফোনটি ধরিয়ে দিলেন অভিনেত্রী স্ত্রী নাদিয়ার কাছে। কিছুটা সময় নিয়ে নাদিয়া বললেন, নাঈমের একটি বড় দোষ আছে। তবে তার বড় গুণ অনেক।
নাদিয়া বলেন, ‘ওর (এফ এস নাঈম) দোষ একটাই, ও অনেক কিছু ভুলে যায় (হাসি)। অনেক সময় কিছু একটা বলল বা তাকে বলা হলো, সেটা সে ভুলে বসে থাকে। এটা তেমন দোষের মধ্যে পড়ে না, কিন্তু অনেক সময় এ নিয়ে ঝামেলা পোহাতে হয়।
আর নাঈমের অনেক গুণ আছে। নাঈম সবার আগে পরিবারকে প্রায়োরিটি দেয়। মা–বাবা, বোন, বোনের ছেলে–মেয়ে, শ্বশুর–শাশুড়ি, আমি—সবাইকে খুব গুরুত্ব দেয়।
আর সংসার করার জন্য সবচেয়ে বেশি দরকার নিজেদের মধ্যে বোঝাপড়া ও সহনশীলতা। সেই বোঝাপড়া আমাদের মধ্যে আছে। আমাদের দুজনেরই ছাড় দেওয়ার মনমানসিকতা রয়েছে।’
নাঈম বলেন, ‘আমার জন্মদিনে সব সময় নাদিয়া আমার পছন্দের জিনিসগুলো গিফট করে। আমি বলতে গেলে শপিংবাজ। প্রচুর শপিং করি। ও (নাদিয়া আহমেদ) জানে আমার পছন্দ কী।’
এবার কী উপহার দিয়েছেন, এমন প্রশ্নে এই অভিনেতা বলেন, ‘নাদিয়া আমার জন্য শুটিং রাখেনি, এটা বড় গিফট। এটাও মনে করিয়ে দেয় আলাদা একটা কেয়ারের কথা। আর গত রাতেই সে আমাকে চমকে দিয়েছে। আমাকে ঘড়ি ও স্যুট উপহার দিয়েছে। নাদিয়ার যেকোনো উপহারই আমাদের জন্য বিশেষ।’
প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ১৪ জানুয়ারি নাঈম ও নাদিয়া হঠাৎ করেই বিয়ের পিঁড়িতে বসেন।
