বিনোদন ডেস্ক- লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শোবিজে আসেন আজমেরি হক বাঁধন। সেটা ২০০৬ সালের ঘটনা। এরই মধ্যে পেরিয়ে গেছে ১৪ বছর। এরপর লম্বা ক্যারিয়ারে মডেলিং ও নাটকে অভিনয় করেছেন বাঁধন।
তবে আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ সাদ পরিচালিত ‘রেহানা মরিয়ম নূর’ সিনেমায় অভিনয়ের মাধ্যমে রুপালী পর্দায় তার পথচলা শুরু হয়। এতে অভিনয়ের মধ্যেদিয়ে নিজেকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন তিনি।
বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের ইতিহাসে প্রথম অভিনেত্রী হিসেবে হেঁটেছেন পৃথিবীর অন্যতম প্রাচীন এবং প্রভাবশালী কান চলচ্চিত্র উৎসবের লাল গালিচায়।
এখানেই শেষ নয় ‘রেহানা মরিয়ম নূর’ বিশ্বের বিভিন্ন উৎসবে ঘুরছে চলচ্চিত্রটি আর পুরস্কারে ঝুলিতে যুক্ত হচ্ছে একের পর এক পুরস্কার। সেই ধারাবাহিকতায় হংকং এশিয়ান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের নিউ ট্যালেন্ট অ্যাওয়ার্ড জয় করেছে ‘রেহানা’।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার এশিয়া প্যাসিফিক স্ক্রিন অ্যাওয়ার্ডসে (অ্যাপসা) থেকে ‘রেহানা মরিয়ম নূর’ একসঙ্গে দুটি স্বীকৃতি পেয়েছে। এরমধ্যে যৌথভাবে ‘জুরি গ্র্যান্ড প্রাইজ’ [উৎসবের দ্বিতীয় পুরস্কার] জিতে নিয়েছেন বাংলাদেশের সাদ এবং অস্ট্রেলিয়ার সিনেমা ‘দ্য ড্রোভারস ওয়াইফ :দ্য লিজেন্ড অব মলি জনসন’।
এ ছাড়া সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার অর্জন করেন ‘রেহানা’ চরিত্রে অভিনয় করা আজমেরী হক বাঁধন।
বাঁধনের ‘রেহানা মরিয়ম নূর’ গত ১২ নভেম্বর দেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে। ইতিমধ্যে ছবিটি দেশীয় চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টদেরও মন জয় করে নিয়েছেন।পাশাপাশি এটি বিশ্বের মোট ১৩টি আন্তর্জাতিক ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে অংশ নিয়ে সিনেমাটি বেশ প্রশংসিত হয়েছে।
এরপরই চমক দেখিয়েছেন বলিউডের বিশাল ভরদ্বাজের ‘খুরফি’ সিনেমায় নাম লিখিয়েছেন বাঁধন। রুপালী পর্দায় পা রাখার পর থেকেই ঝড় তুলেছেন ৩৮ বয়স বয়সী এই অভিনেত্রী।
উল্লেখ্য, একটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজের সহকারী অধ্যাপক রেহানা মরিয়ম নূরকে কেন্দ্র করে ‘রেহানা মরিয়ম নূর’ সিনেমার গল্প। কর্মস্থলে ও পরিবারে তাল মেলাতে গিয়ে হিমশিম খেতে হয় তাকে। কারণ, শিক্ষক, চিকিৎসক, বোন, কন্যা ও মা হিসেবে জটিল জীবনযাপন করেন তিনি।
১ ঘণ্টা ৪৭ মিনিট ব্যাপ্তির ছবিটিতে আরও অভিনয় করেছেন সাবেরী আলম, আফিয়া জাহিন জায়মা, আফিয়া তাবাসসুম বর্ণ, কাজী সামি হাসান, ইয়াছির আল হক, জোপারি লুই, ফারজানা বীথি, জাহেদ চৌধুরী মিঠু, খুশিয়ারা খুশবু অনি, অভ্রদিত চৌধুরী।
পোটোকল ও মেট্রো ভিডিও’র ব্যানারে ছবিটি প্রযোজনা করেছেন সিঙ্গাপুরের প্রযোজক জেরেমি চুয়া।
