নজর২৪ ডেস্ক- সাম্প্রদায়িক অপতৎপরতা রুখতে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনগুলোকে নির্দেশ দিয়েছেন দলটির সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার এই নির্দেশের পর কর্মসূচিও ঘোষণা করেছে ক্ষমতাসীন দল।
সিদ্ধান্ত হয়েছে, দলের নেতা-কর্মীরা বিভিন্ন এলাকায় আক্রমণের শিকার ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের পাশে দাঁড়াবেন; জেলায় ও উপজেলা পর্যায়ে শোভাযাত্রা করবেন। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো পরিদর্শনে যাবেন কেন্দ্রীয় নেতারা।
সোমবার (১৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক জরুরি সভায় এ নির্দেশ দেন বঙ্গবন্ধুকন্যা। সভায় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত ছিলেন দলের সভাপতি।
আওয়ামী লীগরে সভা শেষে সারা দেশে সম্প্রীতি সমাবেশ ও শান্তি শোভাযাত্রা কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় ২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে মঙ্গলবার বেলা ১১টায় কেন্দ্রীয়ভাবে এ কর্মসূচি পালন করা হবে।
সভা শেষে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি জানান, কেন্দ্রীয় কর্মসূচির পাশাপাশি আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনগুলো দেশের সব জেলা, মহানগর, উপজেলায় সম্প্রীতি সমাবেশ ও শান্তি শোভাযাত্রা আয়োজন করবে।
এ সময় তিনি আওয়ামী লীগের সব নেতাকর্মীকে দেশে সাম্প্রদায়িক অপশক্তির তৎপরতা প্রতিরোধ করার নির্দেশনা প্রদান করেন এবং যে কোনো মূল্যে বাংলাদেশের হাজার বছরের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্য সমুন্নত রাখার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।
জানা গেছে, কর্মসূচির আওতায় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনগুলো সারা দেশের সব জেলা, মহানগর, উপজেলায় ‘সম্প্রীতি সমাবেশ ও শান্তি শোভাযাত্রা’ কর্মসূচির আয়োজন করবে। এছাড়াও আওয়ামী লীগের জাতীয় নেতৃবৃন্দ সাম্প্রদায়িক হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করবেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, আ. ফ. ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক বি. এম মোজাম্মেল হক, এস. এম কামাল হোসেন, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, উপ-দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য আনোয়ার হোসেন, সাহাবুদ্দিন ফরাজী, সৈয়দ আবদুল আউয়াল শামীম প্রমুখ।
