জেলে বসেই মা-বাবাকে ভিডিও কল, কান্নায় ভেঙে পড়ল শাহরুখপুত্র আরিয়ান

বিনোদন ডেস্ক- অক্টোবরের শুরুতেই মাদক কান্ডে গ্রেফতার হয়েছেন বলিউড বাদশা শাহরুখ খানের ছেলে আরিয়ান খান। সেদিন মাঝরাতে আরব সাগরের তীরে বিলাসতরণী কর্ডেলিয়া এমপ্রেস শিপে চলছিল ‘রেভ পার্টি’। সেই পার্টি থেকেই মাদককাণ্ডে এনসিবির তদন্তকারী অফিসারদের হাতে ধরা পড়েছেন বলিউড বাদশা শাহরুখ খানের বড়ছেলে আরিয়ান খান।

 

উল্লেখ্য মাদক কান্ডে গ্রেফতার হওয়ার পর থেকেই বিগত কয়েকদিন ধরে বি টাউনে কার্যত শোরগোল ফেলে দিয়েছেন আরিয়ান। গ্রেফতারির পর থেকে নানাভাবে পিছিয়ে গিয়েছে তাঁর জামিনের আবেদন। গতকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার ছিল এই মামলার শুনানি। কিন্তু এদিনও আরিয়ানের জামিনের আবেদন কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছায়নি। মুম্বাই দায়রা আদালত আগামী ২০ অক্টোবর এই মামলার শুনানির নির্দেশ দিয়েছে।

 

প্রসঙ্গত বিগত অক্টোবর বিচার বিভাগীয় হেফাজতের পর ৮ অক্টোবর আরিয়ান খানকে আর্থার রোডের জেলে পাঠানো হয়েছিল। সেখানে কমপক্ষে আরও ৬ দিন থাকতে হবে তাঁকে। আর্থার রোডের জেলে করোনা সংক্রমণের কারণে নিয়ম মেনে প্রথম ৩ থেকে ৫ দিন কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হয়। এরপর করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ আসলে সাধারণ কারাগারে স্থানান্তরিত করা হয় কয়েদিদের।

 

একই নিয়ম মাদক কান্ডে গ্রেফতার আরিয়ান সহ ৬ অভিযুক্তদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। গতকালই সাধারণ কারাগারে রাখা হয়েছে শাহরুখ পুত্র আরিয়ানকে। করোনা আবহে জেলে চালু হয়েছে নতুন নিয়ম। সেই নিয়ম অনুসারে, জেলের কয়েদিদের তাদের পরিবারের সাথে ফিজিক্যাল সাক্ষাৎ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আর সেই কারণেই সকলের সাথে কথা বলার জন্য ভিডিও কলের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

 

আর্থার রোডের কারাগারে প্রায় এই মুহূর্তে ১১টি স্মার্ট ফোন রয়েছে। কয়েদিরা তাঁদের পরিবারের লোকজন কিংবা আইনজীবীদের সাথে মাসে দুই থেকে তিনবার কথা বলার সুযোগ পাবে। জানা গেছে গতকাল সন্ধ্যায় আরিয়ান তাঁর বাবা শাহরুখ খান এবং মা গৌরী খানের সাথে ভিডিও কলে কথা বলেছিলেন। সেই কথোপকথনে কেঁদে ফেলেছেন আরিয়ান। কেঁদেছেন শাহরুখ খান এবং গৌরিও।

 

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, জেলে কী কী ঘটছে, কী খাবার খাচ্ছেন, কোনো সমস্যা হচ্ছে কি না- আরিয়ানের কাছে এসব জানতে চেয়েছেন মা গৌরি খান। ১০ মিনিট কথা বলার সুযোগ পেয়েছিলেন তারা। কথা বলার সময় ৩ জনই চোখ ভিজেয়েছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *