বিনোদন ডেস্ক- সারেগামাপা থেকে পরিচিতি পাওয়া ও বিভিন্ন ইস্যুতে বিতর্কিত হওয়া গায়ক নোবেলকে ডিভোর্সের চিঠি পাঠানোর পর তার স্ত্রী মেহরুবা সালসাবিল মাহমুদ জানিয়েছিলেন, ‘নোবেল মানসিকভাবে অসুস্থ, মা দ কা স ক্ত, আমাকে নানাভাবে নি র্যা ত ন করত। ওর সঙ্গে সংসার করা সম্ভব না।’
তবে এর কয়েকদিন পর আজ বুধবার একটি জাতীয় দৈনিককে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সালসাবিল জানালেন ভিন্ন কথা। তিনি বলেন, ‘নোবেলের সাথে দেখা হয়েছে, কথা হয়েছে। নোবেল ক্ষমা চেয়েছে। নিজেকে সংশোধনের জন্য দু’মাস সময় চেয়েছে। এই সময়ের মধ্যে নোবেল সংশোধন হলে একসাথে আবার সংসার হবে। কিন্তু এর মধ্যে নিজেকে শোধরাতে না পারলে ডিভোর্স কার্যকর হয়ে যাবে।’
তবে যে শুক্রবার রাতে ‘পাত্রীচাই’ বলে পোস্ট দিয়েছিলেন মাঈনুল আহসান নোবেল। এমন প্রশ্নের উত্তরে সালসাবিল বলেন, ‘এটা আমাদের দেখা হওয়ার আগে। এখন ওইসব পোস্ট সরিয়ে নিয়েছে নোবেল।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা নিজেদের মধ্যে কথা না বলে অনলাইনে কাদা ছোড়াছুড়ি করছিলাম। এটা আসলে ঠিক হয়নি।’
নোবেলের সাথে বিয়ের প্রশ্নে তিনি বলেন, বিয়ের আগে দুই থেকে তিন মাস আমাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ফোনে কথা হতো। তখন তো ভালোই দেখেছি।
সম্পর্কের অবনতির প্রসঙ্গে সালসাবিল বলেন, যখন দেখলাম ও (নোবেল) ড্রা গ (মা দ ক) নিচ্ছে। এর ওপর ওর নিয়ন্ত্রণ ছিল না। ওর ‘তামাশা’ গানটি যখন রিলিজ হয় তখন এটা আমার কাছে ধরা পড়ে।
বিয়ের দেড় বছরের সময় ‘বাবা হতে চলেছি’ বলে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছিলেন নোবেল। কিন্তু ফেসবুক লাইভে এসে এর প্রতিবাদ জানিয়ে সালসাবিল বলেছিলেন, ‘আমি প্রেগনেন্ট নই’। তখন নোবেল বলেছিলেন, সালসাবিল পড়াশুনা ও তার বাবার পরিবারের লোকদের সাথে বেশি সময় কাটায়। এতে স্ত্রী হিসেবে সালসাবিলকে খুব একটা কাছে পাননি তিনি। তাদের সম্পর্কের অবনতির পেছনে এটি কারণ কি-না; এমন প্রশ্নে সালসাবিল বলেন, এর আগে থেকেই আমাদের সম্পর্কের অবনতি হয়েছে।
তবে এ সব কিছুর পরও নতুন করে একসাথে সংসার করার স্বপ্ন দেখছেন সালসাবিল। স্বামী মাঈনুল আহসান নোবেল নিজেকে শোধরে নেবেন। ফিরবেন স্বাভাবিক জীবনে। আবারো দু’জন এক ছাদের নিবে বসবাস করবেন সেই অপেক্ষায় আছেন সালসাবিল।
