৪ দিন ধরে জেলে কিছুই খাচ্ছেন না আরিয়ান, করছেন না গোসলও

বিনোদন ডেস্ক- আর্থার রোড জেলে বন্দি শাহরুখ খান ও গৌরী খানের বড় ছেলে আরিয়ান খান। বিলাসবহুল জীবনযাত্রা ছেড়ে জেলের কুঠুরিতে দিন কাটাতে বেশ বেগ পেতে হচ্ছে মান্নাতের রাজকুমারকে। পছন্দের কাবাব-বিরিয়ানি বা বার্গার নয়, জেলের ক্যান্টিনে তৈরি ভাত-ডাল-তরকারি এখন বরাদ্দ আরিয়ানের জন্য। কিন্তু সেইসব খাবার মুখে নিচ্ছেন না শাহরুখ পুত্র। ভারতীয় গণমাধ্যম জেল সূত্রে এমন খবরই প্রকাশ করছে।

 

গত ২ অক্টোবর গোয়াগামী প্রমোদতরীর পার্টি থেকে আটক হন আরিয়ান। পরদিন এনসিবি গ্রেফতার করে শাহরুখ পুত্রকে। গত বৃহস্পতিবার দু-দফার এনসিবি হেফাজত পূর্ণ হওয়ার পর আরিয়ান খানসহ মাদককাণ্ডে গ্রেফতার মোট আটজনের ১৪ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজত মঞ্জুর করে ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট। পরদিন ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে খারিজ হয় আরিয়ানের জামিনের আবেদন। এখনও পর্যন্ত তিনবার কোর্টে তোলা হয়েছে আরিয়ানকে। তিনবারই আদালতের রায় আরিয়ানের বিপক্ষে গিয়েছে।

 

গত শুক্রবার আর্থার রোড জেলে নিয়ে যাওয়া হয় আরিয়ানকে। সেখানকার এক নম্বর ব্যারাকে নিভৃতবাসে রয়েছেন আরিয়ান। কোভিড বিধি মেনে প্রথম পাঁচ দিন কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হয় জেলে আসা নতুন বন্দীদের।

 

হিন্দুস্থান টাইমস ঘনিষ্ঠসূত্রের বরাতে জানায়, জেলে ঠিক করে খাওয়া-দাওয়া করছেন না আরিয়ান। জেল আধিকারিকদের তরফে বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও জেলের খাবার মুখে তুলছেন না আরিয়ান। শুধু জানিয়েছে তার খিদে নেই। জেলের ক্যান্টিন থেকে কেনা পার্লেজি বিস্কুট খেয়েই রয়েছে আরিয়ান। নিজের সঙ্গে ১২টি জলের বোতল নিয়ে জেলে পৌঁছেছিলেন শাহরুখপুত্র। সেই জলের মধ্যে আর মাত্র তিন বোতল জল পড়ে রয়েছে আরিয়ানের কাছে। চারদিন ধরে জেলে গোসলও করেননি তিনি!

 

জেলের নিয়ম অনুযায়ী, অভিযুক্ত বা কয়েদিরা নিজের সঙ্গে ২ হাজার ৫০০ টাকা নিয়ে জেলে ঢুকতে পারবে। ওই টাকা জেলের অ্যাকাউন্টে জমা থাকে আর তার বদলে কয়দিকে এক মাসের কুপন দেওয়া হয়। ওই কুপনের ব্যবহার করে কয়দি জেলের ক্যান্টিন থেকে শুকনো খাবার কেনা যায় (কেক, বিস্কুট)। বাইরের খাবার জেলে ভিতরে নিষিদ্ধ।

 

এদিকে, গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত পরিবারের কোনো সদস্যের দেখা পাননি আরিয়ান। শাহরুখের খুবই কাছের একজন বন্ধু ভারতীয় গণমাধ্যম ‘বলিউড হাঙ্গামা’কে জানিয়েছেন, শাহরুখ ও গৌরীকে ছেলের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ দেওয়া হয়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *