২৭ বছরের দাম্পত্য জীবন, নাঈমকে নিয়ে যা বললেন শাবনাজ

বিনোদন ডেস্ক- জীবনের অনেক চড়াই-উৎরই পার করে এসেছেন। তাঁদের বিয়ে ভেঙে যাওয়া নিয়ে কম গুজব রটেনি মিডিয়া পাড়ায়। মাঝে শোনা গিয়েছিল রেখার। স্ত্রী শাবনাজকে ২৬তম বিবাহবার্ষিকীর জানাতে মঙ্গলবার (৫ অক্টোবর) সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁদের বিয়ের সময় তোলা একটি ছবি এবং বর্তমান সময়ের তোলা একটি ছবি পোস্টকরেছেন ফেসবুকে। ১৯৯৪ সালের ৫ অক্টোবর, চার হাত এক হয়,অর্থাৎ আজকের দিনেই বিয়ে করেছিলেন নাঈম-শাবনাজ।

 

এদেশের চলচ্চিত্রে দীর্ঘদিন ধরে দাপট ছিলো মধ্যবয়সী নায়কদের। একজন পঞ্চাশোর্ধ নায়ক অভিনয় করছেন ভার্সিটি পড়ুয়া ছাত্রের চরিত্রে—এমন দৃশ্য দেখতে দেখতে দর্শক বিরক্ত। তখনই বহু তারকার আবিষ্কারক পরিচালক এতেহশাম নিয়ে এলেন শাবনাজ ও নাঈমকে। তাদেরকে জুটি করে বানালেন ‘চাঁদনী’ ছবিটি সুপারহিট। ঢালিউড ইন্ডাস্ট্রি পেলো নতুন জুটি।

 

জীবনের অনেক চড়াই-উৎরই পার করে এসেছেন। তাঁদের বিয়ে ভেঙে যাওয়া নিয়ে কম গুজব রটেনি মিডিয়া পাড়ায়। মাঝে শোনা গিয়েছিল রেখার। স্ত্রী শাবনাজকে ২৬তম বিবাহবার্ষিকীর জানাতে মঙ্গলবার (৫ অক্টোবর) সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁদের বিয়ের সময় তোলা একটি ছবি এবং বর্তমান সময়ের তোলা একটি ছবি পোস্ট করেছেন ফেসবুকে। ১৯৯৪ সালের ৫ অক্টোবর, চার হাত এক হয়, অর্থাৎ আজকের দিনেই বিয়ে করেছিলেন নাঈম-শাবনাজ।

 

এদেশের চলচ্চিত্রে দীর্ঘদিন ধরে দাপট ছিলো মধ্যবয়সী নায়কদের। একজন পঞ্চাশোর্ধ নায়ক অভিনয় করছেন ভার্সিটি পড়ুয়া ছাত্রের চরিত্রে—এমন দৃশ্য দেখতে দেখতে দর্শক বিরক্ত। তখনই বহু তারকার আবিষ্কারক পরিচালক এতেহশাম নিয়ে এলেন শাবনাজ ও নাঈমকে। তাদেরকে জুটি করে বানালেন ‘চাঁদনী’ ছবিটি সুপারহিট। ঢালিউড ইন্ডাস্ট্রি পেলো নতুন জুটি।

 

১৯৯১ সালে ‘চাঁদনী’ মুক্তির সময় থেকে গুঞ্জন ছিলো শাবনাজ-নাঈমের মধ্যে প্রেম চলছে। প্রথমে অস্বীকার করলেও একটা সময়ে তারা স্বীকার করে নেন ভালোবাসার কথা। দুজন বিয়ে করেন ১৯৯৪ সালের ৫ অক্টোবর। তাদের দুজনের সংসার জীবনের ২৭ বছর পূর্ণ হলো।

 

শাবনাজ-নাঈম জুটি মোট ২১টি ছবি করেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছবি হচ্ছে ‘জিদ’, ‘লাভ’, ‘চোখে চোখে’, ‘অনুতপ্ত’, ‘বিষের বাঁশি’, ‘সোনিয়া’, ‘টাকার অহংকার’, ‘সাক্ষাৎ’ ও ‘ঘরে ঘরে যুদ্ধ’।

 

ঢাকাই সিনেমার জুটির বাস্তব জীবনে সুখের সংসার আলো করেছে দুই মেয়ে। বাবা-মায়ের অনুকরণে সাংস্কৃতিক অঙ্গনে পা রেখেছেন মাহদিয়া নাইম আর ছোট মেয়ের নাম নামিরা নাঈম পড়াশোনা করছেন বর্তমানে।নানা কারণে এ জুটি চলচ্চিত্র থেকে সরে যান। নাঈম ব্যস্ত ব্যবসা নিয়ে আর শাবনাজ সংসার নিয়ে।

 

 

মা–বাবার বিবাহবার্ষিকী, তাই একটি কেক এনে তাঁদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন দুই মেয়ে নামিরা ও মাহাদিয়া। সন্তানদের নিয়ে কেক কেটে, ছবি তুলে দিনটির স্মৃতি ধরে রেখেছেন শাবনাজ ও নাঈম। প্রতিবছর এ আয়োজনটাই একটু বড় পরিসরে করা হয়। এবার করোনা মহামারির কারণে তেমন কিছুই করা হলো না। কেক কাটার পর মেয়েদের সঙ্গে আড্ডা হয়েছে কেবল।

 

সংসারের বন্ধন এত দৃঢ়, কী করে হলো? শাবনাজ বলেন, ‘এক একটা বয়সে এক এক রকম করে কেটেছে আমাদের। কখনো খুব ঝগড়াঝাঁটি হয়েছে, কোনো কোনো সময় গেছে অনেক আনন্দে। দুজনে মিলে বাইরে ঘোরাঘুরি করেছি, আনন্দ করেছি। বাচ্চা হওয়ার পরের জীবন আরেক রকম। বহু রাত আমরা না ঘুমিয়ে একসঙ্গে কাটিয়েছি।’

 

শাবনাজ-নাঈমের ২৬ বছরের সংসারে প্রতিবারের মান-অভিমানের দৈর্ঘ্য ছিল মাত্র ৩০ মিনিট। রাগারাগি হলে কী করতেন নাঈম? শাবনাজ বললেন, ‘মেয়েরা তো একটুতেই রেগে যায়। এখনো আমার রাগ হলে নাঈম “সরি” বলে। আমি খুবই কম “সরি” বলি। এটা নিয়ে আমার মেয়েরাও বলে, “মা, তোমার দোষ থাকলেও তুমি একদমই সরি বলো না”। যখন নাঈম ও মেয়েরা মিলে ধরে, তখন আমি বাধ্য হয়ে “সরি” বলি। আমি রাগ করলেও নাঈম আগে এসে কথা বলে। নাঈম চায় না, বাসার ভেতর কোনো রাগারাগি থাকুক। রাগ করলে এখনো সে আমাকে ময়না বলে রাগ ভাঙায়।’ কথাগুলো বলতে বলতে সেই সিনেমার ভঙ্গিতেই হাসতে থাকেন শাবনাজ। ‘বিষের বাঁশি’ ছবিতে তাঁর চরিত্রের নাম ছিল ময়না। সেই থেকে আজও তিনি নাঈমের ময়না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *