আমার সন্তানের বাবা নায়ক যশ: মুখ খুললেন সাবেক স্ত্রী

বিনোদন ডেস্ক- প্রেম-বিয়ে ও সন্তান বিতর্কে দীর্ঘ দিন ধরে তুমুল আলোচনায় টলিউড অভিনেতা যশ দাশগুপ্ত। গুঞ্জন ছিল, এ অভিনেতা আগেও একটি বিয়ে করেছিলেন। এবার যশের সেই প্রাক্তন স্ত্রী হাটে হাঁড়ি ভাঙলেন।

 

যশের প্রাক্তন স্ত্রীর নাম শ্বেতা। মুম্বাইয়ে বসবাস করেন তিনি। সেখানে একটি সংবাদমাধ‌্যমে কাজ করেন। অনেকেই জানেন না যশ শ্বেতাকে বিয়ে করেছিলেন। সেই সংশয় দূর করতেই বিয়ের কথা জানালেন শ্বেতা।

 

টালিগঞ্জের নায়িকা সাংসদ নুসরাত এর আগে প্রেম, বিয়ে, বিচ্ছেদের একাধিক ঘটনা নিয়ে আলোচনায় এসেছেন। কিন্তু এবার অন্যরকম খবর ছড়িয়েছে নুসরাতকে নিয়ে। আর তা হচ্ছে, তিনি মা হয়েছেন কিন্তু এই সন্তানের জন্মদাতা কে তা গোপন রেখেছেন।

 

এ নিয়ে চলছে নানা মুখরোচক আলোচনা। কেউ বলছেন এ সন্তানের বাবা নায়ক যশ দাসগুপ্ত। তবে সম্প্রতি ছেলের জন্ম নিবন্ধন করাতে গিয়ে সেখানে বাবার নাম এড়িয়ে গেছেন নায়িকা। এই যখন অবস্থা নুসরাত-যশের রসায়ন নিয়ে, ঠিক তখন সামনে আসলেন সাবেক স্ত্রী শ্বেতা।

 

ভারতীয় একটি সংবাদমাধ‌্যমে শ্বেতা বলেন— ‘মুম্বাইয়ে যশের সঙ্গে আমার বিয়ে হয়েছিল। আমাদের ১০ বছরের একটি ছেলেও আছে। কখনো সামনে আসিনি তাই মানুষ আমাকে চেনেন না। এতদিন বিষয়টি কেউ জানতো না, এবার জানবে।’

 

শ্বেতা টলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে তিন বছর কাজ করেছেন। তখন যশের সঙ্গে ডিভোর্স নিয়ে লড়ছিলেন তিনি। এরপর মুম্বাইয়ে ফিরে যান শ্বেতা। এতদিন সামনে না আসার কারণ ব‌্যাখ‌্যা করে শ্বেতা বলেন—‘যশের সঙ্গে আমার তো বিচ্ছেদ হয়েই গেছে। সামনে এসে কী করব!’

 

টলিউড অভিনেত্রী নুসরাত জাহানের সঙ্গে প্রেম-বিয়ে নিয়ে দারুণ সমালোচিত যশ। নুসরাতকে ব‌্যক্তিগতভাবে চেনেন কিনা? এমন প্রশ্নের উত্তরে শ্বেতা বলেন— ‘আমি নুসরাতকে দেখেছি, কিন্তু চিনি না। তাই এ বিষয়ে কিছু বলতে চাই না।’

 

শ্বেতা ও যশ কারো সঙ্গেই থাকে না তাদের পুত্র। যশের সঙ্গে যোগাযোগ আছে কিনা? এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘যশ আমার ছেলের বাবা। ওর সঙ্গে সেই সূত্র ধরে যেটুকু যোগাযোগ রাখতে হয় রাখি। আমাদের সন্তান পারস্পরিক হেফাজতের অধীনে। ডিভোর্সের সময় আমরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম।’

 

আপনি যশকে এখনও ভালবাসেন? জানতে চাইলে শ্বেতা বলেন: ভালবাসা? যশ যে দিন আমাদের পরিবার ছেড়ে চলে গিয়েছিল, সে দিন থেকেই ওর জন্য আমার ভালবাসা উধাও হয়ে গিয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *