Home জাতীয় ভ্যাকসিন হওয়া উচিত বৈশ্বিক সাধারণ সম্পদ: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ভ্যাকসিন হওয়া উচিত বৈশ্বিক সাধারণ সম্পদ: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

0
166

নজর২৪, ঢাকা- পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, কোভিড মহামারি থেকে সফল পুনরুদ্ধারের জন্য অবশ্যই বৈশ্বিকভাবে টিকাদান কর্মসূচির বাস্তবায়ন প্রয়োজন। এজন্য সবার জন্য টিকা সরবরাহের প্রতি গুরুত্ব দিয়েছে বাংলাদেশ।

 

মঙ্গলবার (৭ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ সদর দফতরে অনুষ্ঠিত শান্তির সংস্কৃতি বিষয়ক জাতিসংঘের উচ্চতর ফোরামে দেওয়া স্বাগত বক্তব্যে এসব কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

 

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মন্ত্রী ভ্যাকসিনের জাতীয়করণকে দুর্ভাগ্যজনক বলে অভিহিত করেন এবং বিশ্বকে এ ধরনের ভ্যাকসিন বৈষম্যের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।

 

তিনি বলেন, এখন সময় এসেছে উন্নয়ন অংশীদারদের আরও বেশি মানবিক হওয়ার এবং যাদের ভ্যাকসিন প্রয়োজন, বৈষম্যহীনভাবে তাদের তা প্রদান করার। ভ্যাকসিন হওয়া উচিত বৈশ্বিক সাধারণ সম্পদ।

 

উচ্চ পর্যায়ের এই ফোরামে করোনা পরবর্তী প্রতিকূলতা মোকাবিলা করে ঘুরে দাঁড়ানোর সামর্থ্য অর্জনের বিষয়টি আরও এগিয়ে নিতে ‘শান্তির সংস্কৃতি’ যে রূপান্তরধর্মী ভূমিকা পালন করতে পারে তা তুলে ধরা হয়। দিনব্যাপী আয়োজিত কর্মসূচির মধ্যে উদ্বোধনী পর্ব ছাড়াও একটি প্লেনারি সেশন এবং ভার্চুয়াল প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

 

পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ‘শান্তির সংস্কৃতি’ ধারণাটি উপস্থাপন, ১৯৯৯ সাল থেকে প্রতি বছর সর্বসম্মতিক্রমে তা রেজুলেশন হিসেবে গৃহীত হওয়া এবং ২০১২ সাল থেকে উচ্চ পর্যায়ের ফোরাম আয়োজন করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অগ্রণী ভূমিকার কথা তুলে ধরেন। উদ্বোধনী পর্বে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছাড়াও জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি, ইউএন অ্যালায়েন্স ফর সিভিলাইজেশনের উচ্চ প্রতিনিধি, জাতিসংঘ মহাসচিবের শেফ দ্য ক্যাবিনেট এবং ইউনেস্কোর প্রতিনিধি বক্তব্য দেন।

 

কোভিড থেকে স্থিতিশীল পুনরুদ্ধারে শান্তির পরিবেশ বিনির্মাণের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে ড. মোমেন বলেন, করোনা মহামারি থেকে পুনরুদ্ধার প্রচেষ্টার অপরিহার্য উপাদান হিসেবে অবশ্যই এমন একটি শান্তিপূর্ণ পরিবেশ তৈরি করতে হবে, যেখানে জাতি, গোত্র, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সবাই অর্থবহভাবে অবদান রাখতে পারে। আগের থেকেও ভালো অবস্থায় ফিরে যাওয়ার লক্ষ্যে কোভিড-পরবর্তী পুনরুদ্ধার কার্যক্রমে ‘শান্তির সংস্কৃতি’কে ধারণ ও লালন করার কোনো বিকল্প নেই।

 

তিনি পুনরুদ্ধার প্রচেষ্টায় ‘শান্তির সংস্কৃতিকে’ মূলভাগে স্থাপন করার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান। এছাড়া শান্তি ও উন্নয়নের পারস্পরিক গভীর আন্তঃসম্পর্কের কথা উল্লেখ করে যথাসময়ে ‘এজেন্ডা ২০৩০’-এর বাস্তবায়নের প্রতিও আহ্বান জানান ড. মোমেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here