কাবুল বিমানবন্দরে ‘বোমা বিস্ফোরণ’, শিশুসহ নিহত ১৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক- আফগানিস্তানের কাবুল বিমানবন্দরে সন্ত্রাসী হামলার পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থার সতর্কবার্তার কয়েক ঘণ্টা পর দুটি বিশাল বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছে বিমানবন্দরটির একটি প্রবেশপথের ফটক। এতে ১৩ জন নিহত হয়েছে।

 

পেন্টাগনের প্রেস সেক্রেটারি জন কিরবি টুইটবার্তায় বৃহস্পতিবার বিকেলের বিস্ফোরণের ঘটনা নিশ্চিত করেন বলে বিবিসি ও দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়, কাবুল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অ্যাবে গেটে বিস্ফোরণটি হয়। বিস্ফোরণের পরপরই গোলাগুলির শব্দ পাওয়া যায়।

 

এর আগে পশ্চিমা বিভিন্ন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা জানিয়েছিল, আফগানিস্তান থেকে নাগরিকদের উদ্ধার তৎপরতার শেষ পর্যায়ে কাবুল বিমানবন্দরে সন্ত্রাসী হামলা হওয়ার শঙ্কা বেশি।

 

যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আত্মঘাতী বোমা হামলার কারণে বিস্ফোরণ হয় বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে।

 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করা ছবিতে দেখা যায়, বিস্ফোরণে আহতদের ঘটনাস্থল থেকে সরানো হচ্ছে।

 

যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা বিভিন্ন দেশের সতর্কবার্তায় আফগানদের কাবুল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর অবিলম্বে ছাড়তে বলা হয়।

 

কিরবি টুইটবার্তায় বলেন, ‘কাবুল বিমানবন্দরের বাইরে বিস্ফোরণের ঘটনা নিশ্চিত করছি। বিস্ফোরণে কতজন হতাহত হয়েছেন, তা এ মুহূর্তে বলা যাচ্ছে না। বিস্তারিত তথ্য পরে জানানো হবে।’

 

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিনিধি জোনাথন বিয়ালে বলেছেন, কাবুল বিমানবন্দরে প্রথম বিস্ফোরণের পরপর দ্বিতীয় বিস্ফোরণ ঘটেছে। বিস্ফোরণের পাশাপাশি সেখানে ছোট আগ্নেয়াস্ত্র থেকে গোলাগুলিও হয়েছে। জোড়া এই বিস্ফোরণ বিমানবন্দরের অ্যাবে গেটের কাছের প্রবেশদ্বারে ঘটেছে; যেখানে হাজার হাজার আফগান গত ১২ দিন ধরে অবস্থান করছেন।

 

আল-জাজিরার সংবাদদাতা শার্লট বেলিস কাবুল থেকে জানিয়েছেন, কারা বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে তা তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট হওয়া যায়নি। তথাকথিত ইসলামিক স্টেট অফ খোরাসান প্রভিন্স (আইএসকেপি) বিস্ফোরণ ঘটাতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

 

কয়েক ঘণ্টা আগে ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রী জেমস হিপি বিবিসিকে বলেন, কাবুল বিমানবন্দরে মারাত্মক হামলার চেষ্টা হতে পারে বলে ‘খুবই বিশ্বাসযোগ্য‘ খবর আছে তার কাছে। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এমন কিছু ঘটতে পারে বলে দাবি করেছিলেন তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *