বিনোদন ডেস্ক- চিত্রনায়িকা পরীমনির বাসায় অভিযান চালিয়ে মাদকসহ আটকের পর তার বিরুদ্ধে মাদক মামলা দায়ের করা হয়েছে। বর্তমানে চারদিনের রিমান্ডে রয়েছেন তিনি। এ পরিস্থিতিতে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি তার সদস্যপদ সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে।
শনিবার (৭ আগস্ট) সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে সমিতির সভাপতি মিশা সওদাগর জানান, সমিতির কোনো কার্যক্রমে পরীমনিকে আমন্ত্রণ করা হবে না এবং সমিতি থেকে কোন সুযোগ-সুবিধাও পাবেন না তিনি।
তবে পরীমনি জামিনে বের হলে তার অসমাপ্ত সিনেমার কাজে বাধা থাকবে কি না? এমন প্রশ্নের জবাবে মিশা সওদাগর বলেন, ‘স্থগিতাদেশ না ওঠা পর্যন্ত পরীমনি সংগঠনের কোনো কার্যক্রমে আমন্ত্রণ বা অংশ নিতে পারবেন না। তবে তিনি তার অসমাপ্ত সব শুটিং-ডাবিং করতে পারবেন। পরীমনি চাইলে অসমাপ্ত কাজ শেষ করতে পারবেন। অভিনয় চালিয়ে যেতে পারবেন।’
আদালতে যদি প্রমাণিত হয় পরীমনি নির্দোষ, তাহলে তার সদস্যপদ ফিরে পাবেন। আর যদি দোষী সাব্যস্ত হন, তাহলে আজীবনের জন্য শিল্পী সমিতির সদস্যপদ হারাবেন এই নায়িকা।
মিশা সওদাগর বলেন, পরীমনির ঘটনাটি শিল্পী সমাজের জন্য বিব্রতকর। আমরা কোনো অন্যায়কে প্রশ্রয় দেই না। পরী বিষয়টির মামলা চলমান। সেটি নিয়ে মন্তব্য করা ঠিক নয়। আমাদের কার্যনির্বাহী কমিটির মিটিংয়ে সব সদস্যের মতামত নিয়ে পরীমনির সদস্যপদ স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গত, গেল বুধবার (৪ আগস্ট) বিকেলে সুনির্দিষ্ট কিছু অভিযোগের ভিত্তিতে পরীমনির বনানীর বাসায় অভিযান চালায় র্যাব। এ সময় তার বাসা থেকে ভয়ংকর মাদক এলএসডি, আইস, ইয়াবা ও বিপুল পরিমাণের মদ উদ্ধার করা হয়। অভিযানে পরীমনিকে গ্রেফতার করে র্যাব হেফাজতে নেওয়া হয়। পরের দিন বৃহস্পতিবার (৫ আগস্ট) পরীমনির বিরুদ্ধে বনানী থানায় পরীমনির বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা দায়ের করে র্যাব। বর্তমানে তিনি রিমান্ডে আছে।
