নজর২৪, ঢাকা- বাংলা চলচ্চিত্রের আলোচিত নায়িকা পরীমনির অন্ধকার জগতে পা রাখার পেছনে যারা পৃষ্ঠপোষক হিসেবে ছিলেন তাদেরও আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
শুক্রবার (৬ আগস্ট) দুপুরে ডিবি কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা জানান ডিবির যুগ্ম কমিশনার হারুন অর রশীদ।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, পরীমনিসহ চারজনকে রিমান্ডে আনা হয়েছে। তাদের আমরা জিজ্ঞাসাবাদ করছি। তাদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগে মামলা হয়েছে, সে বিষয়ে তদন্ত করছি। এছাড়া, অন্যান্য বিষয় নিয়েও কথা বলছি। তারা যে অন্ধকার জগতে পা রাখলেন, এর পেছনে কারা পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন- খতিয়ে দেখছি।
এর মধ্যে একজন নারীর নামও পাওয়া গেছে, এছাড়া কস্টিউম ডিজাইনার জিমি রয়েছেন। ওদের বিষয়ে খোঁজখবর নিচ্ছি। এছাড়া আরও যারা পেট্রোনাইজ করেছেন তাদের বিষয়েও খোঁজখবর নিচ্ছি। আশা করছি, তাদেরও আইনের আওতায় আনতে পারবো।
সেই নারীর নাম জানতে চাইলে এ ডিবি কর্মকর্তা বলেন, আমরা এ মুহূর্তে নামটি বলতে চাচ্ছি না। পরীমণির বাসায় মদ পাওয়ার প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। পরে বিস্তারিত জানানো হবে।
পরীমণি ও রাজের ঘরোয়া পার্টিতে কারা আসতেন- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নজরুল ইসলাম রাজ তথাকথিত কয়েকজন মডেল দিয়ে বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্নজনকে মনোরঞ্জন দিতেন। তার সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি মূলত একজন মূর্খ, পড়ালেখা জানেন না। ঢাকায় এসে তিনি প্রথমে একটি ছোট চাকরি করতেন। পরে যোগাযোগ বাড়িয়ে সমাজের বিত্তশালীদের কাছে তথাকথিত মডেল সাপ্লাই দিয়ে বর্তমান অবস্থানে এসেছেন। তাকে জিজ্ঞাসাবাদে আমরা অনেক নাম পেয়েছি। সেগুলো আমরা যাচাই-বাছাই করছি।
ডিবির যুগ্ম কমিশনার বলেন, সমাজে যারা অবৈধভাবে টাকা আয় করে বিত্তশালী হয়েছেন, তাদের সন্তানরা এসব অবৈধ পার্টিতে যাচ্ছেন এবং নীতি বহির্ভূত কাজে লিপ্ত হচ্ছেন। সমাজের তথাকথিত বিত্তশালী, যারা মাদক কারবারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট, তাদের সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সূত্রে জানা যায়, ওই নারী একটি বেসরকারি টেলিভিশনে কর্মরত। বোট ক্লাবের ঘটনার সময় তিনি পরীমণির সঙ্গে ছিলেন।
