নজর২৪ ডেস্ক- করোনাভাইরাস মহামারির কারণে প্রায় দুই বছর দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখেছে সরকার। তবে অনলাইন, টেলিভিশনসহ ডিজিটাল প্লাটফর্মে চলছে শ্রেণি কার্যক্রম। অবশ্য এতে সন্তুষ্ট নয় শিক্ষার্থী-অভিভাবকরা। তারা বিভিন্ন সময়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার দাবি জানিয়ে আসছে।
তবে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ৫ শতাংশের নিচে নামলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা (মাউশি) পরিচালক মাহবুব হোসেন। আজ বুধবার তিনি এ তথ্য জানিয়েছেন।
সকল শিক্ষক কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের টিকার আওতায় আনতে চায় সরকার। এ লক্ষ্যে আগামী ৩১ আগস্টের মধ্যে এই টিকা প্রদানের সময়সীমা নির্ধারণ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তবে বয়স ১৮ হওয়ায় মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা টিকা নিতে পারছে না।
মাউশি পরিচালক বলেছেন, ‘আগামী ৩১ আগস্টের মধ্যে যেসব শিক্ষার্থীর বয়স ১৮ এর উপরে তাদের ভ্যাকসিনেশন সম্পন্ন করা হবে। এরপর তাদের প্রতিষ্ঠান খোলা যায় কিনা সে বিষয়ে চেষ্টা করা হচ্ছে।’ তবে মাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষার্থীদের এখনি ভ্যাকসিনেশন করে আমাদের পক্ষে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা সম্ভব না বলে জানিয়েছেন মাউশি পরিচালক।
এদিকে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিলেও জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট ও বার্ষিক পরীক্ষার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘গত বছর আমরা পরীক্ষার পরিবর্তে অ্যাসাইনমেন্ট নিয়েছিলাম। এ বছর তো অনেক অ্যাসাইনমেন্ট। যদি পরীক্ষা নিতে না পারি তাহলে আমরা অ্যাসাইনমেন্টের ভিত্তিতে পরামর্শটা দিতে পারবো।’ জেএসসি নিয়ে এখনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলে জানান তিনি।
উল্লেখ্য, গত বছর ৮ মার্চ দেশে করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ার পর ওই বছরের ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে সরকার। দফায় দফায় তা বড়িয়ে আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটি ঘোষণা করা হয়।
