নজর২৪, ঢাকা- করোনাভাইরাস মহামারিতে চিকিৎসা সেবার মান বাড়াতে কোনো ইন্টারভিউ ছাড়াই ৪ হাজার চিকিৎসক ও ৪ হাজার নার্স নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
সচিবালয়ে সোমবার দুপুরে মন্ত্রিপরিষদ বৈঠক শেষে বেরিয়ে আসার সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেন, ‘নতুন চার হাজার ডাক্তার নিচ্ছি। নার্সও চার হাজার নেয়া হচ্ছে। খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে নেয়া হচ্ছে।‘
গত দেড় বছর ধরে চিকিৎসক নার্সরা ছোটাছুটি করে ক্লান্ত হয়ে গেছেন বলেও জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, তাই এ নিয়োগ প্রক্রিয়া শিথিল করা হচ্ছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘তাদের ইন্টারভিউও আমরা বাদ দিয়েছি। অনুরোধ করেছি, ইন্টারভিউ যেন না নেয়া হয়। পুলিশ ভেরিফিকেশনের দরকার নেই, তাদের তাড়াতাড়ি কাজে যোগ দেয়ার সুযোগ দেয়া হোক।’
মন্ত্রী বলেন, সারাদেশের ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন পর্যায়ে টিকা কার্যক্রম শুরু করতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া গ্রামের বয়স্ক মানুষকে টিকার আওতায় আনারও নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি।
এছাড়া জাহিদ মালেক বলেন, জনগণ লকডাউন মানছে না, যা দুঃখজনক। লকডাউন না মানলে হাসপাতালে জায়গা হবে না।
টিকার বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এক সময় চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হলেও দেশে এখন পর্যাপ্ত পরিমাণ করোনা ভ্যাকসিন হাতে আছে। অক্সফোর্ডের তিন কোটি, সিনোফার্মের তিন কোটি, জনসনের সাত কোটি, রাশিয়ার এক কোটি, কোভ্যাক্সের মাধ্যমে ৬ কোটি ৮০ লাখ টিকা সব মিলে ২১ কোটি ডোজের মাধ্যমে ১৪ কোটি বা দেশের ৮০ ভাগ লোককে টিকা দেয়া সম্ভব হবে। এর মধ্যেই টিকার বয়সসীমা ১৮ বছরে নামিয়ে আনার ঘোষণা দেয়া হয়েছে। তবে তৃনমূল পর্যায়ে টিকার নিশ্চয়তা দিতে বাড়াতে হবে আরও সক্ষমতা। কেন্দ্র বাড়ানোর পাশাপাশি সহজলভ্য করতে হবে করোনা পরীক্ষা, চিকিৎসা ও টিকাদান।
তিনি আরো জানান, ভারত থেকে প্রতি সপ্তাহে ২০০ টন অক্সিজেন আসবে। এছাড়া পুলিশ ভেরিফিকেশান ও মৌখিক পরীক্ষা ছাড়াই দ্রুত ৪ হাজার চিকিৎসক ও ৪ হাজার নার্স নিয়োগ দেয়া হবে বলে জানা গেছে।
