নজর২৪ ডেস্ক- ঈদের পর দুই সপ্তাহের কঠোর লকডাউনের সময় পোশাক কারখানা চালু রাখার দাবি জানিয়েছিলেন মালিকেরা। তবে সরকার কোনো ইতিবাচক সাড়া না দেয়ায় ৫ আগস্ট পর্যন্ত ছুটির নোটিশ দিয়ে কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
কেউ কেউ আবার ৩১ জুলাই পর্যন্ত ছুটি দিয়ে শ্রমিকদের বলেছেন, সরকার যদি বিধিনিষেধের সময়সীমা কমিয়ে আনে তাহলে ১ আগস্ট থেকে কারাখানা খুলবে।
সরকার ঘোষিত ২৩ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট-দুই সপ্তাহের কঠোর লকডাউনের মধ্যে কারখানা খোলা থাকবে কি না-তা নিয়ে দোটানায় ছিলেন মালিক-শ্রমিকরা। জোর দাবির পরও সরকার তার অবস্থান পরিবর্তন না করায় কারখানা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মালিকরা।
রপ্তানি আয়ের প্রধান খাত তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান মঙ্গলবার রাতে গণমাধ্যমকে বলেন, ‘দেশের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে সরকারের নির্দেশ মতোই আমরা ছুটি দিয়েছি।
‘বেশিরভাগ কারখানায় ৫ আগস্ট পর্যন্ত ছুটি দিয়ে ৬ আগস্ট খোলার নোটিশ দেয়া হয়েছে। কিছু কিছু কারখানায় অবশ্য ৩১ জুলাই পর্যন্ত ছুটি দিয়ে ১ আগস্ট খোলার কথা বলা হয়েছে। সেক্ষেত্রে বলা হয়েছে, সরকার যদি লকডাউন কমিয়ে দেয়, তাহলে ১ আগস্ট খুলবে; আর তা না হলে ৬ আগস্ট খুলবে।’
একই কথা বলেন নিট পোশাক শিল্পমালিকদের সংগঠন বিকেএমইএ সহসভাপতি মোহাম্মদ হাতেম।
উল্লেখ্য, ঈদুল আযহা উদযাপিত হবে বুধবার ২১ জুলাই।
২৩ জুলাই ভোর ৬টা থেকে কার্যকর হতে যাওয়া এ লকডাউনে ব্যক্তিগত যানসহ সব ধরণের গণপরিবহন, অর্থাৎ- রেল, আভ্যন্তরীণ ফ্লাইট ও নৌযান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। কেবল জরুরি পণ্যবাহী যানবাহন চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে।
এ বিষয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, যেসব তৈরি পোশাক কারখানায় ফেসমাস্ক ও পিপিই (পারসোনাল প্রোটেকটিভ ইকুইপমেন্ট) উৎপাদন হয়, লকডাউনের মধ্যে কেবল সেগুলো খোলা রাখা যাবে।
