নজর২৪, ঢাকা- রাজধানীর মগবাজারে বিস্ফোরণের পর ঘটনাস্থলে উৎসুক জনতার চাপ কমাতে লাঠি ব্যবহার করতে হচ্ছে পুলিশকে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ঘটনা খবর ছড়িয়ে পড়ার পর পরই ব্যাপক উৎসুক জনতা ভিড় করেছে ওই এলাকায়। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে মগবাজার মৌচাক রাস্তা। উৎসুক জনতার প্রত্যেকের হাতে মোবাইল ক্যামেরায় ভিডিও করছে, ছবি তুলছে দেখা গেছে।
ভিড় এমন পর্যায়ে গিয়ে ঠেকেছে, ফায়ার সার্ভিস ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাজে শেষ পর্যন্ত ব্যাঘাত ঘটার মতো অবস্থা। পুলিশ তাদের সরে যেতে বারবার অনুরোধ করলেও তারা কর্ণপাত করেনি। অবশেষে পুলিশ বাধ্য হয়ে রোববার রাত সাড়ে ৯টার দিকে লাঠিপেটা করে উৎসুক জনতার ভিড় কমিয়েছে। এখনও দফায় দফায় লাঠিপেটা অব্যাহত আছে।
এদিকে রোববার রাতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার শফিকুল ইসলাম। পরে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘এখানে খুব সম্ভবত গ্যাস জমে ছিল। সেই গ্যাস বিস্ফোরণের কারণেই আশপাশের সাতটা বিল্ডিং ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দুটি বাস ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এখন পর্যন্ত আমরা যে খবর পেয়েছি তাতে সাতজন মারা গেছেন।
‘আমার কাছে নাশকতা মনে হচ্ছে না। নাশকতা হলে স্প্লিন্টার থাকত। স্প্লিন্টারের আঘাতে আশপাশের মানুষ ক্ষতবিক্ষত হয়ে পড়ত। আপনারা বাস দেখেছেন। বাসে কিন্তু কোনো স্প্লিন্টার নেই। সুতরাং এটা বলা যায় এখানে বোমার কোনো ঘটনা ছিল না। গ্যাস থেকেই এটা হয়েছে।’
ফায়ার সার্ভিস বলছে, মগ বাজারের বিস্ফোরণে আহতদের ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ৩৯ জনকে এবং শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ১৭ জনকে ভর্তি করা হয়েছে। এ ছাড়া, আহতদের মধ্যে কয়েক জনকে মহানগর ও আদদ্বীন হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে।
