আন্তর্জাতিক ডেস্ক- পাকিস্তানের ভবিষ্যৎ শিল্পায়নের মধ্যেই নির্ভর করছে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। তিনি বলেন, সরকারের এখন মূল লক্ষ্যই টেকসই প্রবৃদ্ধি। শিল্পায়ন ছাড়া সম্পদ গড়ে তোলা অসম্ভব।
আজ শুক্রবার (২৮ মে) নওশেরাতে রাশাকাই প্রায়োরিটিজ বিশেষ অর্থনৈতিক জোনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন বলে ডনের খবরে বলা হয়।
এই অর্থনৈতিক জোনটি চীন-পাকিস্তান ইকোনমিক করিডরের অধীনে চলবে। ইমরান খান বলেন, এটা পাকিস্তানের জন্য ভালো। কারণ, চীন দ্রুত উন্নতি করে চলেছে, পাকিস্তান তাদের কাছ থেকে অনেক কিছু শিখতে পারবে।
পশ্চিমা দেশগুলোর শিল্পায়নকে ‘পুরোনো’ মন্তব্য করে পাকিস্তানের সেখান থেকে কিছু শেখার নেই বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী ইমরান। তিনি বলেন, কিন্তু চীনের সাম্প্রতিক শিল্পায়নের অনেক অভিজ্ঞতা রয়েছে। তাই পাকিস্তান প্রতিবেশী দেশটির কাছ থেকে অনেক কিছু শিখতে পারবে।
ইমরান খান খাইবার পাখতুনখাওয়ার মুখ্যমন্ত্রীকে অর্থনৈতিক জোন প্রসঙ্গে ‘সতর্ক’ করেন। তিনি বলেন, ‘আপনি বলেছেন লোকজন এই জায়গা কিনতে বেশ আগ্রহী…এই জমি বেচা চলবে না। কম দামে লিজ দিন।’
চীন রপ্তানি খাতটিকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেয় উল্লেখ করে ইমরান খান বলেন, ‘আমরা রপ্তানি খাতকে কখনো আমলে নিইনি। তাই রাশাকাই অর্থনৈতিক জোনটি আমাদের জন্য ব্যাপক সম্ভাবনা তৈরি করবে।’
তিনি রপ্তানিভিত্তিক শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে অগ্রাধিকার দিতে কর্তৃপক্ষকে পরামর্শ দেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, জায়গা বিক্রি করে দিলে তা রিয়েল এস্টেটে পরিণত হয়, তখন জমির দাম বেড়ে যায়। যখন জমির দাম বেড়ে আকাশচুম্বী হয়, তখন শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো সেই সঙ্গে তাল মেলাতে পারে না। মন্ত্রী চান, শিল্পপ্রতিষ্ঠান তৈরিতে আগ্রহীরা এই জমিগুলো লিজ নিক।
রপ্তানি বাড়ানোর প্রসঙ্গে ইমরান বলেন, ‘অতীতের সরকার এই দিকে কোনো নজরই দেয়নি। আমরা যদি বিশ্বে রপ্তানি না করি, তাহলে আমাদের সম্পদ কীভাবে বাড়বে। আমরা আটা, চাল, চিনি বেচে ধনী হতে পারব না।’
