নজর২৪ ডেস্ক- করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় সরকার প্রথমে ৫ থেকে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত নানা বিধিনিষেধ আরোপ করে। পরে এ নিষেধাজ্ঞা আরও দুই দিন বাড়িয়ে ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত করা হয়। এ ৯ দিনে জনগণের চলাচল নিয়ন্ত্রণে সরকারি নির্দেশনাগুলো বাস্তবায়নে রাজপথে তেমন তৎপরতা দেখা যায়নি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর।
তবে বাংলা নতুন বছরের প্রথম দিনে শুরু হওয়া কঠোর বিধিনিষেধে দেখা যাচ্ছে গত সপ্তাহের বিপরীত চিত্র। বুধবার সকাল থেকেই সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নে কঠোর অবস্থানে দেখা গেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের।
রাজধানীর সড়কে খুব কম মানুষকে চলাচল করতে দেখা গেছে। সড়কে দেখা যায়নি গণপরিবহন। চলছে অল্প কিছু ব্যক্তিগত যানবাহন। গতবার সড়কে চোখে পড়ার মতো রিকশা চলাচল করতে দেখা গেলেও এবারের চিত্র ভিন্ন।
সকাল থেকে রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চেকপোস্ট দেখা গেছে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কাউকেই ঘরের বাইরে যেতে দেয়া হচ্ছে না।
লকডাউনের ৮ দিন সরকারি ও বেসরকারি সব ধরনের প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। বন্ধ থাকবে গণপরিবহন। তবে জরুরি সেবা দেয়া প্রতিষ্ঠান-সংস্থা খোলা রয়েছে। খোলা রয়েছে শিল্প-কারখানা। সীমিত পরিসরে দেয়া হচ্ছে ব্যাংকিং সেবা।
এই সময়ে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের হওয়া যাবে না। খোলা স্থানে কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যদি কেনা-বেচা করা যাবে ৬ ঘণ্টা।
এদিকে সর্বাত্মক বিধিনিষেধ চলাকালীন জরুরি প্রয়োজনে চলাচলের জন্য ‘মুভমেন্ট পাস’ চালু করেছে পুলিশ। বুধবার (১৪ এপ্রিল) থেকে লকডাউনে বিশেষ কয়েকটি কারণে এবং পুলিশের দেয়া ‘মুভমেন্ট পাস’ ছাড়া এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় যাওয়া যাবে না।
উল্লেখ্য, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বাড়তে থাকায় এর আগে গত ৫ এপ্রিল ভোর ৬টা থেকে ১৪ এপ্রিল ভোর ৬টা পর্যন্ত লকডাউন বা বিধিনিষেধ ছিল। তবে গণপরিবহন, মার্কেট খোলা রেখে এই লকডাউন ছিল অনেকটাই অকার্যকর।
