নজর২৪, চট্রগ্রাম- চট্টগ্রামের হাটহাজারী থানায় হামলা করা হেফাজত কর্মীদের চার জন পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছে। সংঘর্ষে আহত হওয়ার পর চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পর তাদের মৃত ঘোষণা করে চিকিৎসকরা।
আরও বেশ কয়েজন গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই আলাউদ্দিন তালুকদার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে জাগো নিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নিহত তিন মাদরাসাছাত্র হলেন- মেরাজুল ইসলাম, রবিউল ইসলাম ও জাহাঙ্গীর আলম। তবে মৃত অপরজনের নাম-পরিচয় এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
জুমার নামাজের পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশে আগমনের প্রতিবাদে দারুল উলুম মইনুল ইসলাম মাদরাসা ও পার্শ্ববর্তী কয়েকটি মসজিদ থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করেন হেফাজতের নেতাকর্মীরা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, তারা মিছিল নিয়ে হাটহাজারী থানার দিকে এগুতে চাইলে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় বিক্ষোভকারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। পুলিশ প্রথমে টিয়ারশেল ছুড়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে। একপর্যায়ে পুলিশ রাবার বুলেট ছোড়ে। এতে সংঘর্ষ আরও বাড়লে পুলিশ গুলি ছোড়ে।
প্রায় এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ চলে।
হাটহাজারী থানার ওসি রফিকুল ইসলাম এ বিষয়ে বলেন, ‘ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশে আগমনের প্রতিবাদে হেফাজতের অনুসারীরা মিছিল করার চেষ্টা করে। পুলিশ বাধা দিলে তারা হাটহাজারী থানায় প্রবেশ করে ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়েছে। সংঘর্ষ চলাকালে রাস্তায় পুলিশ অবস্থান নিলে হাটহাজারী মাদরাসা থেকে অনুসারীরা অবস্থান নিয়ে ইটপাটকেল ছুড়েছে।’
এ বিষয়ে হেফাজতে ইসলামের সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল হক ইসলামাবাদী বলেন, ‘আজ দুপুরে জুমার নামাজের পর আমরা মোদিবিরোধী মিছিল বের করেছিলাম। মিছিল থানার সামনে যাওয়ার পর পুলিশ বিনা উস্কানিতে আমাদের ওপর গুলি চালায়।’
