বিনোদন ডেস্ক- দেড় শতাধিক ঢাকাই সিনেমার অভিনেতা শাহীন আলম মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। রাজধানীর আজগর আলী হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থায় আজ সোমবার রাত ১০টা ৫ মিনিটে এ অভিনেতার মৃত্যু হয়।
গত শনিবার (৬ মার্চ) থেকে রাজধানীর আজগর আলী হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে ছিলেন এ অভিনেতা।
শাহীন আলমের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান। এর আগে সন্ধ্যা তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলেও জানিয়েছিলেন জায়েদ খান।
এর আগে নিজের ফেসবুকে একটি ছবি শেয়ার করে ওমর সানী লেখেন, শাহীন আলম আমার বন্ধু। একসাথে পথচলা, অভিনয়ে ও অসাধারণ। দীর্ঘসময় ধরে চলচ্চিত্রে কাজ করছে না। কিছুদিন আগে কিডনি জনিত সমস্যায় ওকে দেখতে গিয়েছিলাম। পরে শুনলাম ওর কিডনি দুটিই বিকল, ডায়ালাইসিস করছে বেশ কিছুদিন যাবত। গতকাল (৭ মার্চ) ওর ছেলে ফোন দিয়েছিল। শুধু বলল, আঙ্কেল বাবা লাইফ সাপোর্টে, করোনা পজিটিভ। আল্লাহ তুমি সুস্থতা দান করো, বন্ধুকে ফিরিয়ে দাও।
শাহীন আলমের ছেলে ফাহিম জানান, আগে থেকেই তার বাবার কিডনি জটিলতার সঙ্গে ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপজনিত সমস্যা ছিল। ডায়ালাইসিস চলাকালে তার শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায়। তারপর দ্রুত তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়।
প্রসঙ্গত, ১৯৮৬ সালের এফডিসির নতুন মুখের সন্ধানের মাধ্যমে চলচ্চিত্রে পা রাখেন শাহিন আলম। এরপর বেশকিছু সিনেমায় অভিনয় করে পরিচিতি পান তিনি। প্রয়াত চিত্রনায়ক সালমান শাহের সঙ্গেও কাজ করেছেন এই চিত্রনায়ক। দুই বাংলায় প্রশংসিত ‘হঠাৎ বৃষ্টি’ সিনেমায়ও অভিনয় করে নজর কেড়েছিলেন তিনি।
শাহিন আলম ঘাটের মাঝি, এক পলকে, গরিবের সংসার, তেজী, চাঁদাবাজ, প্রেম প্রতিশোধ, টাইগার, রাগ-অনুরাগ, দাগী সন্তান, বাঘা-বাঘিনী, আলিফ লায়লা, স্বপ্নের নায়ক, আঞ্জুমান, অজানা শত্রু, দেশদ্রোহী, প্রেম দিওয়ানা, আমার মা, পাগলা বাবুল, শক্তির লড়াই, দলপতি, পাপী সন্তান, ঢাকাইয়া মাস্তান, বিগবস, বাবা, বাঘের বাচ্চা, বিদ্রোহী সালাউদ্দিনসহ বহু সিনেমায় অভিনয় করেছেন।
