পুলিশের ওপর হামলার উসকানি, অলি আহমদের ফোনালাপ ফাঁস

নজর২৪ ডেস্ক- চন্দনাইশ পৌরসভা নির্বাচনে পুলিশের ওপর হামলা করার নির্দেশনা সংক্রান্ত একটি অডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলে জানান চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আনোয়ার হোসেন।

 

ওই অডিও রেকর্ডে জসিম উদ্দিন নামে এক ব্যক্তি এলডিপি চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথোপকথনের সময় পুলিশের ওপর হামলার নির্দেশনা দেওয়ার কথা জানান। জসিম উদ্দিন সাবেক ছাত্রদল কর্মী ও বর্তমানে চন্দনাইশ এলডিপি নেতা বলে দাবি করা হচ্ছে। তবে তার বিস্তারিত পরিচয় জানাতে পারেনি পুলিশ।

 

ওই অডিও রেকর্ডে কর্নেল অলি চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় বলেন, ‘চন্দনাইশ আঁই নির্বাচনের ৩/৪ দিন আগে যাইয়ুমদে।’ অর্থাৎ চন্দনাইশ আমি নির্বাচনের ৩/৪ দিন আগে যাবো যে।

 

প্রতি উত্তরে জসীম বলেন, ‘জরুরি থন পরিবো, জরুরি, জরুরি, জরুরি। আঁই এডে বেয়াগ্গুনোরে কই দিইয়ি পুলিশ মারিবাল্লাই। পুলিশে যদি ডিস্টার্ব গরে পুলিশ মারিবার লাই হইয়িদি।’ অর্থাৎ আপনাকে জরুরি থাকতে হবে। আমি এখানে সবাইকে বলে দিয়েছি পুলিশে মারার জন্য। পুলিশ যদি ডিস্টার্ব করে তাই পুলিশকে মারার জন্য বলে দিয়েছি।

 

কর্নেল অলি বলেন, ‘আচ্ছা ভালা।’

 

এর পর আবারও জসিম বলেন, ‘ — পুলিশ মাইল্লে তই ঠিক অইবো।’ অর্থাৎ পুলিশ মারলে তবেই ঠিক হবে।

 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া এই ক্লিপটি সংগ্রহ করেছে পুলিশ। এদিকে ছড়িয়ে পড়া অডিও রেকর্ডটির বিষয়ে জানার জন্য কর্নেল অলি আহমদকে ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ না করায় তা নিশ্চিত করা যায়নি।

 

চন্দনাইশ পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী মাহবুবুল আলম খোকা বলেন, ‘নির্বাচন শুরুর পর থেকেই তারা নির্বাচন বানচালের চক্রান্ত করছে।’ যারা নির্বাচন বানচালের চক্রান্ত করছে তাদের আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানান আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী।

 

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন জানান, তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি চন্দনাইশ পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, এলডিপিসহ বিভিন্ন দল থেকে মেয়র ও কাউন্সিলর পদে প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *