নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর বলেছেন, সার্বিকভাবে এখন পর্যন্ত গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের পরিবেশ শুধু বাংলাদেশ নয়, উপমহাদেশের প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত ভালো আছে। নির্বাচনের ফলাফল পর্যন্ত পরিবেশ ভালো থাকবে।
আজ সোমবার (২২ মে) আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
ভোটের আর মাত্র দু’দিন বাকি রয়েছে। ভোটের শেষ প্রচার চলবে মঙ্গলবারও। বৃহস্পতিবার এ সিটি করপোরেশনে মেয়র ও কাউন্সিলর পদে ভোট হবে।
এই সিটি নির্বাচনকে ঘিরে শুরুর দিকে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠলেও মন্ত্রী, এমপিদের সতর্ক করা এবং নৌকার প্রার্থীকে তলবের মধ্য দিয়ে তা সামলে নিয়েছে। পরবর্তীতে প্রচারণা নিয়ে বড় ধরনের অভিযোগ না থাকলেও এরইমধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী জায়েদা খাতুনের প্রচারে বাধা ও হামলার অভিযোগও উঠেছে।
সোমবার এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর বলেন, “অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে ও সুষ্ঠুভাবে প্রচার হচ্ছে। মেইনস্ট্রিমের মিডিয়ায় গাড়ি ভাঙচুরের কোনো ভিডিও আসেনি। কোনো পত্রিকাতেও লেখা হয়নি। গতকাল আমি নিজে গিয়েছি গাজীপুর। এর আগেও গিয়েছি।…অত্যন্ত সুন্দরভাবে প্রচার হচ্ছে। তারপরও আমাদের দেশে সংস্কৃতি যেটা দ্বিতীয় পক্ষ মুখোমুখি হয়ে যায়। এ পক্ষও স্লোগান দেয়, সেপক্ষও স্লোগান দেয় স্বাভাবিকভাবেই। তখন পুলিশ থাকে মাঝে। পুলিশ সুন্দরভাবে ভূমিকা পালন করছে।”
নির্বাচন কমিশনার মো: আলমগীর বলেন, কেন্দ্রে যেতে যদি বাধা দেয়া হয়, ৫৭ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট থাকবেন। প্রত্যেক ম্যাজিস্ট্রেটের সাথে বিজিবির টিম থাকবে, র্যাব থাকবে, বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট থাকবেন। এরপরও নির্বাচন সুষ্ঠু না হওয়ার তো কোনো কারণ নেই। ভোটাররা যদি বলেন যে ভয় পাচ্ছি, আন্দাজে ভয় পেয়ে তো লাভ নেই। তিনি (ভোটার) ঘর থেকে বের হোক। ভোট দিতে যাক। তারপর যদি কেউ বাধা দেয় তখন বলুক। আমাদের কাছে পাঠাক যে বাধা দিচ্ছে। দেখেন তখন কী হয়। কঠিন অ্যাকশন হবে।
সিসি ক্যামেরার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সিসি ক্যামেরা প্রত্যেকটা বুথে থাকবে। ঢাকায় বসে সিইসিসহ অন্যান্য কমিশনার, কর্মকর্তা এবং সাংবাদিকরা তা পর্যবেক্ষণ করবেন। আমরা কোনো অভিযোগ দেখলে আইনে যেভাবে অ্যাকশন নেয়ার কথা সেভাবেই নেয়া হবে। গাইবান্ধায় তো কেবল নির্বাচন বন্ধ করা হয়েছে। এখানে তার চেয়েও কঠিন অ্যাকশন হবে। আপনারা দেখেন।
