ঘূর্ণিঝড় মোখার প্রভাবে দেশের সব সমুদ্র বন্দরে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সতর্ক সংকেত নামিয়ে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ পরিস্থিতি কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের পানিতে পর্যটকসহ সকলকে নামতে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা হয়েছে। তবে এর মধ্যে লাখো উৎসক জনতা সৈকতজুড়ে ভিড় করতে দেখা গেছে।
শুক্রবার (১২ মে) বিকাল সাড়ে ৫টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের লাবণী, সী গাল, সুগন্ধা পয়েন্ট জুড়ে দেখা মিলেছে লাখের কাছাকাছি মানুষের।
সৈকতের নিরাপত্তায় নিয়োজিত সী সেফ লাইফ গার্ড সংস্থার সিনিয়র লাইফ গার্ড কর্মী আবদুস সালাম জানিয়েছেন, ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত জারির পর থেকে প্রশাসনের নিদের্শনা মতে কাউকে পানিতে নামতে দেয়া হচ্ছে না। কিন্তু এরপরও ইচ্ছুক মানুষের ভিড় কমছে না। লাখের কাছাকাছি মানুষের মধ্যে অল্প সংখ্যক পর্যটক হলেও অন্যান্য সকলেই স্থানীয় লোকজন। শুক্রবার সাপ্তাহিত ছুটি এবং মোখার পরিস্থিতির কারণে উৎসুক জনতার ভিড় বেড়েছে। যারা সৈকতের বালিয়াড়িতে ঘুরাফেরা, কিটকটে (বীচ ছাতা) বসে সাগর উপভোগ করছেন।
কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবু সুফিয়ান জানিয়েছেন, সৈকতে উৎসুক জনতার ভিড় না করার জন্য নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে সৈকতের সারি সারি কিটকট (বীচ ছাতা) সরিয়ে উপরে নিয়ে আসতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে সৈকতের আশেপাশের দোকান সন্ধ্যার পর বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে সৈকতের পানিতে নামতে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা হয়েছে। যার জন্য প্রশাসন বীচ কর্মী, ট্যুরিস্ট পুলিশ ও লাইফ গার্ডকে সাথে নিয়ে কাজ করছেন।
