আল্লু অর্জুনের নায়িকা হতে চান বাংলাদেশের মেঘলা মুক্তা

মেঘলা মুক্তার নামটি আলোচিত হয় বাংলাদেশি মেয়ে হিসেবে তেলেগু ছবিতে অভিষেক নিয়ে। এরপর অবশ্য অতিমারিসহ নানান জটিলতায় মেঘলা মুক্তার ক্যারিয়ারেরও নানান বাঁকবদল হয়। মেধাবী এই অভিনেত্রী নিজেকে প্রকাশ করতে পারেননি সেইভাবে। নির্মাতা অনন্য মামুনের ছবিতেও কাজ করেছিলে তিনি। অবশেষে ইমপ্রেস টেলিফিল্মেও ছবিতে অভিষেক হচ্ছে মেঘলা মুক্তার।

ঢালিউডের মেয়ে হয়েও নায়িকা হিসেবে মেঘলা মুক্তার অভিষেক ও পরিচিতি গড়ে উঠেছে তেলেগু ইন্ডাস্ট্রিতে। বেশ আগেই ভারতে মুক্তি পেয়েছে তার সিনেমা ‘সাকালাকালা ভাল্লাভুডু’। এবার নায়িকা হিসেবে নিজ ইন্ডাস্ট্রিতে অভিষিক্ত হতে যাচ্ছেন এ নায়িকা।

২৩ ডিসেম্বর মুক্তি পাচ্ছে তার ‘পায়ের ছাপ’। ইমপ্রেস টেলিফিল্মের ব্যানারে ছবিটি নির্মাণ করেছেন সাইফুল ইসলাম মান্নু। ‘পায়ের ছাপ’ মূলত নারীর ক্ষমতায়ন ও এগিয়ে যাওয়ার গল্পে নির্মিত। সমাজে একজন নারী স্বপ্ন দেখেন, সেটি বাস্তবায়ন করার গল্পই ‘পায়ের ছাপ’।

মেঘলা জানান, সাধারণ ঘরের একজন নারী স্বপ্ন দেখতে ভয় পায়। সেই ভয়কে জয় করে স্বপ্ন বাস্তবায়ন করা এবং পুরুষ শাসিত সমাজে টক্কর দিয়ে চমৎকার একটি জার্নির গল্প উঠে এসেছে পায়ের ছাপ-এ।

ছবির মুক্তি উপলক্ষে প্রচারণায় সময় দিচ্ছেন তিনি। সম্প্রতি মেঘলাকে জিজ্ঞেস করা হয় আগামীতে যেহেতু আবার দক্ষিণী ছবিতে অভিনয় করবেন, সেখানে আপনার পছন্দের নায়ক কে?

মেঘলা বলেন, সেখানকার প্রতিটি আর্টিস্টের সঙ্গে কাজ করতে চাই। বিশেষভাবে আমি আল্লু অর্জুনের অনেক বড় ফ্যান। সেখানে থাকাকালীন তার ছবির ফার্স্ট ডে ফার্স্ট শো দেখেছি। তার সঙ্গে যদি কখনও কাজের সুযোগ পাই অবশ্যই তার নায়িকা হতে চাই। তার সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করতে পারলে নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করবো।

মেঘলা বলেন, সাউথে প্রতিটি স্টারের ফ্যান ফলোয়ার্স অনেক বেশী। একজন ঘিরে ফ্যান থাকে না। দর্শকরা সবাই সবার ছবি দেখেন। সব বয়সী দর্শক হলে আসেন। একাধিক স্টার নিয়ে মাতামাতি হয়। তবে দেখেছি আল্লু অর্জুন স্টাইলের কারণে তাকে স্টাইলিশ স্টার বলা হয়। আমি নিজেও তার অভিনয়ের পাশাপাশি ডান্স ও স্টাইলের ফ্যান।

প্রথম ছবি মুক্তির অভিজ্ঞতা জানিয়ে মেঘলা মুক্তা বলেন, ভারতে দেড়শো হলে আমার ছবি ভালো চলেছিল। আমি সেখানে নতুন হলেও স্ক্রিনে এলে দর্শক তালি সিটি বাজাতো, তালি দিতো। এই ভালো লাগাটা বলে বোঝানো যাবে না। প্রথম ছবিতে দর্শক আমাকে যেভাবে গ্রহণ করেছেন, আশা রাখি সামনের কাজে আরও ভালোভাবে গ্রহণ করবেন।

মেঘলা জানান, তেলুগু দর্শকদের নিয়মিত অভ্যাস সব সিনেমাই তারা হলে গিয়ে দেখেন। বললেন, এমনও হয়েছে রাতে শো-তেও দর্শক পূর্ণ ছিল। বিশেষ করে তেলুগুর রুরাল অঞ্চলেও ভালো চলেছিল। খুব ভালো প্রতিক্রিয়া পেয়েছি। সাউথে প্রথম ছবি হিসেবে অনেক বড় পাওয়া।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *