আমি গর্বিত: তানজিন তিশা

একটি সোনালি ট্রফির জন্য দীর্ঘ ৩৬ বছরের অপেক্ষা। ২০১৪ সালে ট্রফিটার কাছে গিয়েও ছুঁতে পারেননি মেসিরা। এবারের ফাইনালের প্রথমার্ধে ২–০ গোলের ব্যবধানে এগিয়ে থাকা, আর্জেন্টিনার জন্য জয়ের মঞ্চ তৈরির আভাস দিচ্ছিল।

কিন্তু লিওনেল মেসির থেকে বিশ্বকাপ ট্রফিটি নিজের করে নেওয়ার জন্য কী করলেন না কিলিয়ান এমবাপ্পে। ফ্রান্সের হয়ে পুরো ম্যাচে ওয়ান ম্যান আর্মি হয়ে লড়লেন ফরাসি এই ফরোয়ার্ড। ফুটবল বিশ্বকাপ ইতিহাসে এমন উত্তেজনাপূর্ণ ফাইনাল আর হয়েছে কিনা সন্দেহ।

আর্জেন্টিনার এ জয়ের পর বাংলাদেশের তারকারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। তেমনই একজন ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিন তিশা।

তিশা ক্যারিয়ার সচেতন হলেও ব্যস্ততা থেকে সময় বের করে তা উপভোগ করেন। ব্যক্তিজীবনে একটু অবসরই যদি না থাকে তাহলে কোনো কিছুতে প্রশান্তি খুঁজে পাওয়া যায় না! এ কারণেই সদ্য শেষ হওয়া কাতার বিশ্বকাপ ফুটবল আসরে মেতে উঠেছিলেন এই তারকা।

বাংলাদেশ সময় রোববার (১৮ ডিসেম্বর) রাত ৯টায় বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। এতে মাঠে নামে শক্তিশালী দুই দল আর্জেন্টিনা ও ফ্রান্স। প্রতিপক্ষ ফ্রান্সকে ঘায়েল করে টাইব্রেকারে ৪-২ গোলে বিশ্ববাসীকে রোমাঞ্চকর জয় দেখায় লিওনেল মেসিরা। এই জয়ে উচ্ছ্বসিত অভিনেত্রী তিশা।

আর্জেন্টিনার এই জয়ে যেন দীর্ঘ ৩৬ বছরের স্বপ্ন পূরণ হলো দলটির ভক্ত-সমর্থকদের। সোশ্যালে তরুণ প্রজন্মের অনেকের ভাষ্য—আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ জয়ের সাক্ষী হতে পেরে ধন্য সমর্থকরা। দলটির রোমাঞ্চকর জয়ের জন্যই অপেক্ষা করছিলেন তারা। তবে এর থেকে একদম ব্যতিক্রম নয় তিশা।

এই অভিনেত্রী আর্জেন্টিনার জয়ে সে কথাই জানালেন। আর্জেন্টিনা দলের জয় নিশ্চিত হওয়ার পরই ফেসবুক ভেরিফাইড পেজে প্রিয় দলের একটি ছবি পোস্ট করে অভিনেত্রী লেখেন, ‘একজন আর্জেন্টিনা সমর্থক হতে পেরে গর্বিত আমি। অভিনন্দন আমার দল।’ এর সঙ্গে প্রথম বাক্যে জুড়ে দিয়েছেন ভিক্টোরি সাইন ও দ্বিতীয় বাক্যে ভালোবাসার ইমোটিকন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *