আগামী জানুয়ারিতে ৪০–এ পা দেবেন অভিনয়শিল্পী রুনা খান। ৪০ ছুঁই ছুঁই এই অভিনয়শিল্পী শারীরিক গঠন বদলে রীতিমতো সবাইকে চমকে দিয়েছেন। ৩৯ কেজি ওজন কমানোর পর একের পর এক ফটোশুটে অংশ নিচ্ছেন এই অভিনয়শিল্পী।
শাড়ি ও আধুনিক পোশাকে ফটোশুটে অংশ নেওয়া রুনা প্রতিনিয়ত চমকে দিচ্ছেন সবাইকে। গতকাল রোববার নতুন কয়েকটি স্থিরচিত্র প্রকাশ করেছেন। সেখানে প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ১৮ হাজারের বেশি মানুষ। মন্তব্যও করেছেন অনেকে। যার বেশিরভাগই প্রশংসামূলক।
অভিনয়শিল্পী রুনা খান একজন স্বপ্নবাজ মানুষ। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত অভিনয় করে যেতে চান। ভালো কাজের স্বপ্ন দেখেন। ভিন্ন ধরনের চরিত্রের প্রতি তাঁর লোভ সব সময়। তিনি জানান, তাঁর কাজ তাঁকে কখনো সন্তুষ্ট করে না। তবে বিভিন্ন সময় শুটিং সেটে অন্যদের কাছে নিজের অভিনয়ের প্রশংসা শুনেছেন।
মোশাররফ করিমের মতো বড় মাপের অভিনয়শিল্পীও একাধিকবার অন্যদের কাছে রুনা খানের অভিনয়ের প্রশংসা করেছেন।
রুনা খান বলেন, ‘৩০ জনের বেশি সহকর্মী আমাকে শুটিংয়ের সময় জানিয়েছেন, মোশাররফ করিম আমার অভিনয় পছন্দ করেন। আমার আড়ালে সেই প্রশংসা আমার কাজের অনুপ্রেরণা জোগায়। আমরা অনেক পুরোনো সহকর্মী। অনেক আগে থেকে আমরা একসঙ্গে কাজ করি। সামনে কখনো মোশাররফ ভাই কিছু বলেন নাই। কেউ সামনাসামনি ভালো কিছু বললে আমি লজ্জায় পড়ে যাই। কী বলব কিছু বুঝতে পারি না। তখন প্রচণ্ড লজ্জা লাগে।
ছোট ও বড় পর্দার অভিনয়শিল্পী রুনা খান মাছে-ভাতে বাঙালি। যেকোনো সাধারণ বাঙালির মতো তিনি ভাত-মাছ খেতে ভালোবাসেন। মাছের মধ্যে ইলিশ তাঁর সবচেয়ে প্রিয়। ইলিশের বিভিন্ন পদের ভেতর তাঁর সবচেয়ে প্রিয় দোপেঁয়াজি। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের খাবার চেখে দেখার সুযোগ হয়েছে তাঁর। থাই, চায়নিজ, জাপানিজ, ইতালীয়, মোগলাই—নানা দেশের নানান পদ খেয়েছেন রুনা। তবে সব খাবারের মধ্যে ভাতই তাঁর সবচেয়ে প্রিয়। এক বছর ধরে অবশ্য এই খাবারে এনেছেন পরিবর্তন।
খেতে পছন্দ করলেও নিজে রান্না খুব একটা পারেন না। তবে রুনার কাছে তাঁর মায়ের হাতের রান্না সবচেয়ে প্রিয়। মা যা রান্না করেন, তা-ই তাঁর ভালো লাগে। রুনা বলেন, ‘আমি রান্নাটা মন দিয়ে শেখার সময় পাইনি। কলেজে পড়ার সময় থেকে থিয়েটার করি। বিশ্ববিদ্যালয়জীবন আর ক্যারিয়ার একসঙ্গে শুরু হয়েছে। তবে আমি যা-ই রান্না করি, আমার মেয়ে ও মেয়ের বাবা তা পছন্দ করে।
