২০১৫ সালের ওয়ানডে সিরিজ জয়ের সুখস্মৃতি ফেরানো গেলো সাত বছর পর হওয়া ওয়ানডে সিরিজেও। দ্বিতীয় ওয়ানডেতে রোহিত শর্মার ভারতকে ৫ রানে হারিয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। ২৭২ রানের লক্ষ্যে ভারত ৯ উইকেটে করতে পেরেছে ২৬৬ রান।
এদিন ব্যাট হাতে ১০০ রানের অপরাজিত ইনিংস এবং বল হাতে গুরুত্বপূর্ণ ২ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের জয়ের নায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ।
এর আগে মেহেদী হাসান মিরাজের সেঞ্চুরি আর মাহমুদউল্লাহর হাফ সেঞ্চুরিতে ভারতকে ২৭২ রানের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেয় বাংলাদেশ। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করে ৭ উইকেটে ২৭১ রান তোলে বাংলাদেশ। ১০০ রানে অপরাজিত ছিলেন মিরাজ। ৭৭ রান আসে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের ব্যাট থেকে। নাসুম আহমেদ করেন ১১ বলে ১৮।
জবাবে ব্যাটিংয়ে নেমে প্রথম দশ ওভারে তিন উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়ে ভারত। মিডল ওভারে রাহুলকে নিয়ে বিপর্যয় কাটানোর চেষ্টা করেও পারেননি শ্রেয়াস আয়ার। তবে অক্ষর প্যাটেলের সঙ্গে তার ১০৭ রানের জুটিতে চোখ রাঙানিটা ছিল স্পষ্ট। সেখান থেকে বাংলাদেশকে আবারও ম্যাচে ফেরান মিরাজ, আয়ারকে ফিরিয়ে।
পরের দুই উইকেট পেতে বেশি অপেক্ষা করতে হয়নি বাংলাদেশকে। ৫৬ বলে ৫৬ রান করা অক্ষর প্যাটেলকে বাউন্সারের ফাঁদে ফেলেন এবাদত। পরের উইকেটটা নিয়েছেন সাকিব আল হাসান। শার্দুল ঠাকুরকে স্ট্যাম্পিং করে ভারতের সপ্তম উইকেটটা তুলে নেন বাঁহাতি এ স্পিনার।
তবে শেষের দিকে ম্যাচ জমিয়ে তুলেন রোহিত শর্মা। আঙুলের চোটের কারণে ওপেনিংয়ে না নামা ভারতীয় অধিনায়ক বাংলাদেশের নাভিশ্বাস তুলেছেন শেষ দুই ওভারে। ঐ দুই ওভারে ভারতের দরকার ছিল ৪০ রান। কিন্তু শেষ বল পর্যন্ত লড়াই করে ৫ রানে হারতে হয় ভারতকে।
