১০০০তম ম্যাচে গোল করলেন মেসি

মেক্সিকো আর পোল্যান্ডের বিপক্ষে দারুণ ফুটবল খেলা আর্জেন্টিনাকে আজ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে যেন খানিকটা বিবর্ণই লাগছিল! এমনই সব মুহূর্তে আকাশি-সাদাদের ত্রাতা হয়ে এগিয়ে আসেন কে? লিওনেল মেসি ছাড়া আর কে আবার! সেই মেসি এগিয়ে এলেন আজও। দারুণ এক গোলে এগিয়ে দিলেন আর্জেন্টিনাকে।

সঙ্গে একটা খরাও কাটিয়ে ফেললেন তিনি। বর্ণিল ক্যারিয়ারে কতশত গোল করেছেন তিনি! বিশ্বকাপেও ব্যতিক্রম নয়, সকারুদের বিপক্ষে নামার আগে তার গোল ছিল ডিয়েগো ম্যারাডোনার সমান, ৮টি। তবে তার একটিও ছিল না বিশ্বকাপের নকআউটে। নিজের পঞ্চম বিশ্বকাপে এসে সেই খরা কাটালেন আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি।

শনিবার (৩ ডিসেম্বর) আহমদ বিন আলী স্টেডিয়ামে ক্যারিয়ারের হাজারতম ম্যাচ খেলতে নেমেছেন লিওনেল মেসি। শেষ বিশ্বকাপ খেলতে নামা মেসি গ্রুপ পর্ব থেকেই ছড়াচ্ছেন আলো। অস্ট্রেলিয়ার ডিফেন্সিভ ফুটবলের কারণে তাদের রক্ষণভাগে তেমন প্রভাব রাখতে পারছিল না আলবিসেলেস্তেরা। তবে লিওনেল মেসির জন্য তো একটু যায়গাই যথেষ্ট। সুযোগটা পেয়েই কাজে লাগিয়ে দলকে কোয়ার্টার ফাইনালের পথে এক পা এগিয়ে দিলেন তিনি।

৩৩ মিনিটে পাপু গোমেজকে ফাউল করা হলে বা প্রান্ত থেকে ফ্রি কিক পায় আর্জেন্টিনা। মেসির দারুণ ফ্রি-কিক ডিবক্সে বাঁধা পেলেও ক্লিয়ার করতে ব্যর্থ হয় অস্ট্রেলিয়ার ডিফেন্ডাররা। ডি বক্সের জটলায় বল পেয়ে দারুণ প্লেসিং শটে গোল করেন মেসি।

এর আগে ৩ মিনিটের মাথায় পাপু গোমেজের শট হাতে লাগলে অস্ট্রেলিয়ার ডিবক্সে হ্যান্ডবলের আবেদন করে আর্জেন্টিনা। তবে রেফারি তাতে সাড়া দেয়নি।

১৬ মিনিটে পাপু গোমেজ উড়িয়ে মারলে নষ্ট হয় সুযোগ। ১৮ মিনিটে অস্ট্রেলিয়ার আজিজ বেহিখ বল নিয়ে ঢুকে পড়েছিলেন আর্জেন্টিনার ডিবক্সে। তবে ডিফেন্ডারদের চেষ্টায় বিপদমুক্ত থাকে গোলপোস্ট। ২৩ মিনিটে কর্নার পায় অস্ট্রেলিয়া। ২৬ মিনিটের মাথায় অস্ট্রেলিয়ার আরও একটি আক্রমণ নষ্ট হয় আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগের দৃঢ়তায়। ২৮ মিনিটে কর্নার থেকে অস্ট্রেলিয়ার প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দেন মলিনা। ৩০ মিনিটের সময় রায়ান ম্যাকগ্রিকে মলিনা ফেলে দিলে ফ্রি কিক পায় অস্ট্রেলিয়া। তবে দূর থেকে নেওয়া ফ্রিকিকে কোন বিপদ হয়নি আর্জেন্টিনার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *